স্টাফ রিপোর্টার: জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও দেশের কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নেতারা। বিকেল ৫টার পর সনদ স্বাক্ষর করেন তারা।
এর আগে বিকেল সাড়ে ৪টায় ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে শুরু হয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান। এতে উপস্থিত হন বিএনপি, জামায়াতসহ আরো বেশকিছু ছোট-বড় রাজনৈতিক দলের নেতারা। কিন্তু এ অনুষ্ঠানের কোথাও দেখা মেলেনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের।
দলটি আগেই জানিয়েছিল, তিন দফা দাবি মেনে না নিলে তারা জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নেবে না। তবু শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত এনসিপিকে স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আনার চেষ্টা করেছিল সরকার ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।
কিন্তু তাতে খুব একটা লাভ হয়নি। শেষ মুহূর্তেও নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকার কথা জানিয়েছেন দলটির নেতারা।
এ বিষয়ে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও রাজনৈতিক লিয়াঁজো কমিটির প্রধান আরিফুল ইসলাম আদীব বলেছেন, ‘এর আগে আমরা দেখেছি, সরকার বিএনপির মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে একপাক্ষিক জুলাই ঘোষণাপত্র দিয়েছিল। ফলে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশও একইরকম একপাক্ষিক ও পক্ষপাতিত্বমূলক করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ফলে সুস্পষ্ট দাবি আদায় না হলে স্বাক্ষর করবে না এনসিপি।’
এদিকে ঢাকার সংসদ ভবন এলাকায় জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের মঞ্চের সামনে জুলাই সনদ সংশোধন, সনদকে স্থায়ীভাবে সংবিধানে অন্তর্ভূক্ত এবং জুলাই যোদ্ধাদের স্বীকৃতি- এই তিন দফা দাবিতে অবস্থান নেন জুলাই যোদ্ধারা।
দাবি মেনে নিয়ে অতিথিদের জন্য বরাদ্দ আসন ছেড়ে তাদের চলে যাওয়ার অনুরোধ করলেও সরেননি তারা। পরে তাদের তুলে দিতে গেলে জুলাই যোদ্ধা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
এসময় টিয়ারশেল ও সাউন্ডগ্রেনেড ছোঁড়ে পুলিশ। এদিকে কয়েকটি গাড়িতে ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেন বিক্ষোভকারীরা। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে সেনাবাহিনীও।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব