ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত হামলাকারী তাৎসুইয়া ইয়ামাগামি। আদালতে বিচার শুরুর প্রথম দিনই অভিযুক্ত হামলাকারী তার স্বীকারোক্তিতে দায় স্বীকার করেন।
মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
অভিযুক্ত তাৎসুইয়া ইয়ামাগামি আদালতকে বলেন, জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে ইউনিফিকেশন চার্চের জন্য প্রচার চালিয়েছিলেন। তাই তাঁর মা ওই গির্জার প্রতি আস্থার প্রমাণ দিতে প্রায় ১০ কোটি ইয়েন (প্রায় ৬ লাখ ৬০ হাজার ডলার) দান করেছিলেন। আর এ কারণেই তাঁদের পুরো পরিবার দেউলিয়া হয়ে যায়। ৪৫ বছর বয়সী এই ব্যক্তি বলেন, সবই সত্য।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে ইয়ামাগামির মা জানিয়েছেন, এখনো তিনি ওই গির্জার প্রতি অনুগত। ছেলের কর্মকাণ্ড তাঁর বিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করেছে।
ইয়ামাগামির বিচার আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত চলতে পারে। তিনি অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন ভঙ্গের অভিযোগ অস্বীকার করছেন। তাঁর আইনজীবীর দাবি, যে অস্ত্র তিনি তৈরি করেছিলেন, তা আইন অনুযায়ী ওই শ্রেণিতে পড়ে না।
এই ঘটনায় দেশটির চার মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হয়। চলতি বছরের মার্চে টোকিও আদালত গির্জাটি ভেঙে দেওয়ারও নির্দেশ দেন।
জাপানের পশ্চিমাঞ্চলীয় নারা শহরে ২০২২ সালে নির্বাচনী প্রচারের সময় শিনজো আবেকে স্থানীয়ভাবে তৈরি বন্দুক দিয়ে গুলি করেন ইয়ামাগামি। কয়েকটি গুলি তাঁর শরীরে লাগে। পরে হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন ৬৭ বছর বয়সী আবে। এ ঘটনায় বিশ্বজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে।
রিপোর্টার্স২৪/টিআই/আয়েশা