চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গায় যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যা করার অভিযোগে শুকুর আলী ওরফে শুকলাল (৩৭) নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে চুয়াডাঙ্গার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ হাবিবুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে একই মামলার অপর দুই আসামি- শুকুর আলীর বাবা আসান মল্লিক ও মা সাহেদা খাতুনকে প্রমাণের অভাবে খালাস দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত শুকুর আলীর বাড়ি আলমডাঙ্গা উপজেলার এনায়েতপুর স্কুলপাড়ায়। মামলার শুরু থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন। তার অনুপস্থিতিতেই আদালত রায় ঘোষণা করে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২৮ নভেম্বর যৌতুকের দাবিতে স্বামীর বাড়িতে নির্যাতনের শিকার হন গৃহবধূ লাইলী সুলতানা কুমকুম। পরে পিটুনিতে তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পর নিহতের বাবা সামসুল জোয়ার্দ্দার আলমডাঙ্গা থানায় শুকুর আলীসহ তিনজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ২২ এপ্রিল আলমডাঙ্গা থানার এসআই আনিছুর রহমান শুধুমাত্র শুকুর আলীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অপর দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগের যথেষ্ট প্রমাণ না থাকায় তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।
রায়ের বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মারুফ সরোয়ার বাবু বলেন, ‘সাক্ষ্য, প্রমাণ ও ঘটনার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে আদালত নিশ্চিত হয়েছেন যে শুকুর আলীই তার স্ত্রীকে হত্যা করেছে। এ জন্য তাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।’
রিপোর্টার্স২৪/ প্রীতিলতা