রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে শনিবার অনুষ্ঠিত ‘জনতার ইশতেহার’ শীর্ষক সংলাপে প্রধান উপদেষ্টা প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, শেখ হাসিনা সম্পর্কে সবাইকে স্পষ্টভাবে বলতে হবে;আমরা কী চাই? তিনি বলছেন, যারা জুলাইয়ের আন্দোলন করেছে, সবাই টেরোরিস্ট। এটা ভয়াবহ।
তিনি আরও বলেন, সাইফুল ভাই আন্দোলনে ছিলেন, তাকে বলা হচ্ছে ‘টেরোরিস্ট’। আমির খসরু ভাই আন্দোলনে ছিলেন তাকেও ‘টেরোরিস্ট’ বলা হচ্ছে। যারা লেখালেখি করেছেন, তাদেরকেও ‘টেরোরিস্ট’ বলা হচ্ছে। অর্থাৎ ১৮ কোটি মানুষকেই ‘টেরোরিস্ট’ বলা হচ্ছে। কাউকে ‘টেরোরিস্ট’ বললে তার হত্যা কার্যক্রম বৈধ হয়ে ওঠে;তা কি আমাদের জন্য গ্রহণযোগ্য? এই বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো দৃঢ় অবস্থান নেবে বলে আমি আশাবাদী।
আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই নির্বাচন হতে পারে জানিয়ে শফিকুল আলম বলেন, জুলাই সনদ নিয়ে অনিশ্চয়তা আছে কিন্তু বিষয়টা দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার নয়। রাজনৈতিক দলগুলো যদি একমত হতে পারত, তাহলে কোনো বাকশাল হতো না, তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি দাবি করেন, নির্বাচনের প্রক্রিয়া যেন অনিশ্চয়তায় না ভোগে; এটি আমাদের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
সংলাপের সময় তিনি অবকাঠামো ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, গোপালগঞ্জ–কাশিয়ানি রেললাইন বানানো হয়েছে, যাত্রী নেই। পাবনা থেকে রেললাইন তৈরি হয়েছে,কিন্তু ব্যবহার নেই। অথচ ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রামকে হাই স্পিড এক্সপ্রেসওয়ে বা রেললাইনে যুক্ত করা দরকার ছিল গ্রোথও সেই করিডোরে তৈরি হয়।
তিনি বলেন, আমরা এমন একটি রাজনৈতিক ঐক্যমত্য চাই, যাতে বামপন্থী হোক বা ডানপন্থী সবাই গণতন্ত্রের প্রতি আস্থাশীল থাকবে। জাতির সামনে সঠিক বার্তা যাবে না, বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট হবে না এভাবে কর্মসংস্থান বাড়াতে পারব না।
সংলাপের লগ্নিক আলোচনা ও সার্বিক চিত্র থেকে স্পষ্ট হয়ে উঠে—রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ ও সক্ষমতা ছাড়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয়।
রিপোর্টারর্স২৪/এসসি