জেলা প্রতিনিধি (ঠাকুরগাঁও) : ঠাকুরগাঁওয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মোট ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হামলা, হত্যাচেষ্টা ও গুলিবর্ষণ, ককটেল বিস্ফোরণ, সরকার পতনের ষড়যন্ত্র ও দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগ আনা হয়েছে।
পুলিশের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ৭ অক্টোবর শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পিস্তল, শটগান, ককটেল ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। এজাহারনামীয় আসামিরা চাইনিজ রাইফেলস দিয়ে এলোপাথাড়ি গুলি ছোড়ে, যাতে বাদী শামীম ইসলাম ওরফে সিফান গুলিবিদ্ধ হন। এমনকি তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় কোপ মারা হলে তিনি গুরুতর জখম হন।
অন্যদিকে, হরিপুরে গত ৪ আগস্টের ছাত্র-জনতার মিছিলে হামলা, হত্যাচেষ্টা ও ১০টি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগের অভিযোগে দুইজন আওয়ামী লীগ সমর্থকসহ মোট ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০৭ (হত্যার চেষ্টা) এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এদিকে সরকার পতনের ষড়যন্ত্র ও নাশকতার অভিযোগে রানীশংকৈল থেকে আওয়ামী লীগের চারজন নেতাসহ সহযোগী সংগঠনের কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ধর্মগড় ইউপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ খলিলুর রহমান এবং বাচোর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা মো. হামিদুর রহমান অন্যতম।
পুলিশ জানায়, গত ১২ নভেম্বর গভীর রাতে গোপন বৈঠক থেকে এই চার নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল "বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল ও অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করা।" ঘটনাস্থল থেকে লাল কসটেপ মোড়ানো ৩ টি অবিস্ফোরিত হাতবোমা এবং ১৬ ও ১৮ ফেব্রুয়ারি অবরোধ-হরতালের ডাকসংবলিত ৯৩ পাতা সরকারবিরোধী লিফলেট উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্য আইন এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
রিপোর্টার্স২৪/এসএন