রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক : হিমালয় থেকে বয়ে আসা শীতল বাতাসে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় শীতের প্রভাব জেঁকে বসেছে। কয়েকদিন ধরে সকাল ও রাতের তাপমাত্রা ১২–১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। শীতের সঙ্গে বাড়তি আর্দ্রতার কারণে ভোরবেলা কনকনে ঠান্ডা অনুভূত হলেও দিনের আলো কিছুটা স্বস্তি নিয়ে আসে।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৫৯ শতাংশ। এর আগের দিনও একই সময়ে তাপমাত্রা ছিল প্রায় সমান ১৩ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
শীতের তীব্রতার মাঝেও জনজীবন সচল। সকাল থেকে চা বাগান, খনি এলাকা ও নদীঘাটে শ্রমিকরা কাজে ফিরেছেন। ভ্যানচালক, দিনমজুর ও রিকশাচালকরা জানান, রোদের উজ্জ্বলতা সকালে কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে। তবে শীতের কারণে শিশু ও বৃদ্ধদের মধ্যে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর সংখ্যা গত সপ্তাহের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে নিউমোনিয়া, হাঁপানি ও সর্দি-কাশির রোগী বেশি আসছেন।
স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, তেঁতুলিয়ার শীত শুধু রাতের নয়, সকাল ও সন্ধ্যার সময়ও প্রবল। সূর্য উঠলেও ঠান্ডা বাতাস বইতে থাকায় অনেকেই সকালে আগুন জ্বালিয়ে হাত-মুখ গরম করছেন। দুপুরের কিছুটা রোদের তাপ মানুষকে স্বস্তি দিচ্ছে। আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় বলেন, “হিমালয়ের কাছাকাছি অবস্থানের কারণে তেঁতুলিয়ায় শীত অন্য এলাকার তুলনায় আগে আসে। সামনের দিনগুলোতে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম