ফলে লোকসানের আশঙ্কায় পড়েছেন মধুচাষিরা। আবহাওয়া এমন চলতে থাকলে লোকসান অনেক বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
সরেজমিনে নড়াইল সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বিলে গিয়ে দেখা গেছে, সরিষা ফুল থেকে মধু সংগ্রহে শত শত মধুর বাক্স বসানো আছে। তবে মধুর বাক্সগুলোর বাইরে মৌমাছির তেমন আনাগোনা নেই।
মধুচাষি মো. শম্পি সরদার বলেন, দিনে কুয়াশা থাকায় বাক্সগুলো থেকে মৌমাছি বের হচ্ছে না। বেশি পরিমাণ মধু সংগ্রহের জন্য রোদ ও কুয়াশার প্রয়োজন। রাতে কুয়াশা নামলে আর দিনে রোদ হলে মধু সংগ্রহ বেশি হয়।
আরেক খামারি মো. ইনামুল হক বলেন, দিনে কুয়াশা থাকায় খামারের মৌমাছি বাক্স থেকে বের হয় না। বের হলেও খুব কম মৌমাছি বের হয়। এতে মৌমাছি জমানো মধু খেয়ে ফেলে। এ বছর অতিরিক্ত শীত ও কুয়াশার কারণে অনেক মৌমাছি মারা যাচ্ছে।
আরেক চাষি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে এ বছর মধু উৎপাদন কম হবে বলে মনে হচ্ছে। সামনের দিনগুলোতে যদি আবহাওয়া অনুকূল হয়, তাহলে হয়তো সমস্যার সমাধান হতে পারে। তা না হলে মধু উৎপাদন কমে যাবে।
নড়াইল জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. আরিফুর রহমান বলেন, আবহাওয়া বৈরী থাকায় মধু উৎপাদনে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটছে। আমরা আশা করছি এ বছর ১০ মেট্রিক টন বা তার বেশি মধু উৎপাদন হবে। মধুচাষিদের আমরা খাঁটি মধু উৎপাদনে কারিগরি পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি।
রিপোর্টার্স২৪/এসএন