রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে নির্বাচনী অনুষ্ঠানে সংঘর্ষে একজনের নিহত হওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে এ ধরনের সহিংসতাকে অগ্রহণযোগ্য ও দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছে সরকার।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা মিনি স্টেডিয়ামে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম নিহত হন।
ঘটনার পর বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে অন্তর্বর্তী সরকার জানায়, সহিংসতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেকোনো প্রাণহানি গভীরভাবে দুঃখজনক এবং কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, জাতীয় নির্বাচনের আর মাত্র দুই সপ্তাহ বাকি থাকায় বিএনপি ও জামায়াতসহ সব রাজনৈতিক দলের দায়িত্বশীল আচরণ অত্যন্ত জরুরি। নেতাদের পাশাপাশি সমর্থকদের মধ্যেও সংযম নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সহিংসতা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রাণহানির কোনো স্থান নেই বলেও উল্লেখ করা হয়।
সরকার জানায়, শেরপুরে সংঘর্ষ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলায় নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শান্তি বজায় রাখা, আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানো এবং শান্তিপূর্ণ ও গঠনমূলক উপায়ে ভোটারদের সম্পৃক্ত করা এগুলো নিশ্চিত করার দায়িত্ব সব রাজনৈতিক দল, নেতা ও প্রচারকদের। দেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে শান্তি, শৃঙ্খলা ও গণতান্ত্রিক আচরণের ওপর।
অন্তর্বর্তী সরকার একটি শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি