প্রিন্ট এর তারিখঃ | বঙ্গাব্দ || প্রকাশের তারিখঃ 05-02-2026 ইং
সংবাদ শিরোনামঃ ডিমলায় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নিয়োগ-বাণিজ্যের অভিযোগ
নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার গয়াবাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও নিয়োগ-বাণিজ্যের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মচারী ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কলেজ অধ্যক্ষের কার্যালয়ের সামনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে গয়াবাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী অধ্যাপক কামরুজ্জামান লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করে বলেন, ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ অবসরে গেলে তৎকালীন সময়ে গয়াবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুর রহিমের ছেলে ফরহাদ হোসেন দলীয় প্রভাব খাটিয়ে ওই প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ গ্রহণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় অনিয়ম, দুর্নীতি ও নিয়োগ-বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ২০১১ সালে এডহক কমিটির ছয়জন সদস্য দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড বরাবর লিখিত অভিযোগ দিলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং ওই সময় থেকে প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন ব্যাহত হয় এবং একাডেমিক ও পাবলিক পরীক্ষার ফলাফলে ধস নামে।
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর অধ্যক্ষ ফরহাদ হোসেনের বিরুদ্ধে ১৪টি অভিযোগ দায়ের করা হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তদন্ত শেষে তাকে অব্যাহতি প্রদান করেন এবং ওই প্রতিষ্ঠানের সহকারী অধ্যাপক (অর্থনীতি) কামরুজ্জামানকে দায়িত্বভার বুঝিয়ে দেওয়ার সুপারিশ করেন। তবে এ বিষয়ে মামলা ও আদালতে আপিল চলমান থাকলেও ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পক্ষ থেকে কোনো জারি আদেশ দেওয়া হয়নি।
অভিযোগে আরও বলা হয়, নীলফামারী জেলা প্রশাসনের অনুমোদন ছাড়াই ২০১৭ সালে নিয়মিত কমিটির স্বাক্ষর জাল করে কোটি টাকার বিনিময়ে আটজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। অথচ নিয়োগপ্রাপ্তদের কখনোই প্রতিষ্ঠানের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর দিতে দেখা যায়নি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সদস্য বদিউজ্জামান, শিক্ষক শামসুল আলম, গোলাম মোস্তফা, হুমায়রা বেগম, ফিরোজুল ইসলাম, অধ্যাপক মাহাবুবুর রহমানসহ আরও অনেকে।