স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকা-৬ আসনের সূত্রাপুর এলাকায় ভোট কেনার উদ্দেশ্যে টাকা বিতরণের অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর দুই নেতাকে কারাদণ্ড দেওয়ার ঘটনায় ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন দলটির প্রার্থী ড. মুহাম্মাদ আব্দুল মান্নান। তার দাবি, এটি ভোট কেনার ঘটনা নয়; বরং নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী জাল ভোট চ্যালেঞ্জের জন্য পোলিং এজেন্টদের কাছে অর্থ সরবরাহ করা হচ্ছিল।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ড. মান্নান বলেন, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী কোনো ভোটারকে জাল ভোটার সন্দেহ হলে তা চ্যালেঞ্জ করতে নির্ধারিত ফি হিসেবে ১০০ টাকা জমা দিতে হয়। সেই নিয়ম মেনেই প্রতিটি বুথে দায়িত্বপ্রাপ্ত পোলিং এজেন্টদের জন্য একটি খামে পাঁচটি ১০০ টাকার নোট, অর্থাৎ মোট ৫০০ টাকা করে প্রস্তুত রাখা হয়েছিল।
তিনি জানান, একটি দোকানে বসে এসব খামে টাকা ভরার সময় কিছু লোক এসে তাদের ঘেরাও করে এবং ‘ভোট কেনার জন্য টাকা বিতরণ’ করা হচ্ছে—এমন অভিযোগ তোলে। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এ সময় সূত্রাপুর থানা জামায়াতের নায়েবে আমির মো. হাবিবসহ কয়েকজন নেতাকে মারধর করা হয়। পরে মো. হাবিবকে আটক করা হয়।
ড. মান্নান অভিযোগ করেন, ঘটনাস্থলে উপস্থিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই বিএনপির নেতাকর্মীদের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রভাবিত হয়ে দুই দিনের কারাদণ্ড দেন। তিনি বলেন, দোকানে বসে খামে টাকা প্রস্তুত করলেই তা ভোট কেনা হয়ে যায় না। ভোট কেনার জন্য তো নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপট ও প্রমাণ লাগে। এখানে তা ছিল না।
তিনি আরও দাবি করেন, ঘটনাটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং এতে অযথা উত্তেজনা সৃষ্টি করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের আহ্বান জানান তিনি।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি