স্টাফ রিপোর্টার: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের হার দাঁড়িয়েছে ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ। একই দিনে অনুষ্ঠিত গণভোটে ভোটগ্রহণের হার ছিল ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে আয়োজিত আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
তিনি জানান, মোট ২৯৯টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ২৯৭টির ফলাফল প্রাথমিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশনার কারণে চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। ওই দুই আসনের বিষয়ে পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
ঘোষিত ২৯৭ আসনের ফলাফলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। দলটি পেয়েছে ২০৯টি আসন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পেয়েছে ৬টি আসন। এছাড়া খেলাফত মজলিস পেয়েছে ২টি আসন।
এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণঅধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজিপি), খেলাফত আন্দোলন এবং গণসংহতি আন্দোলন একটি করে আসনে জয়লাভ করেছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন মোট ৭টি আসনে। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অবশিষ্ট দুই আসনের ফলাফল ঘোষণা হলে চূড়ান্ত চিত্র আরও পরিষ্কার হবে।
সিনিয়র সচিব বলেন, নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নামসহ গেজেট যত দ্রুত সম্ভব প্রকাশ করা হবে এবং সব আসনের গেজেট একসঙ্গেই জারি করা হবে। নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
গণভোটের ফলাফলের বিষয়ে তিনি জানান, ‘হ্যাঁ’ ভোট পেয়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭টি। এতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটই সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে।
নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের কে শপথ পড়াবেন—এ প্রশ্নের জবাবে আখতার আহমেদ বলেন, এ বিষয়ে মন্তব্য করার এখতিয়ার তার নেই এবং তিনি এ নিয়ে কিছু বলতে চান না।
ব্রিফিংয়ে তিনি সার্বিকভাবে নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ায় সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং আশা প্রকাশ করেন, ঘোষিত ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী সাংবিধানিক প্রক্রিয়া যথাসময়ে সম্পন্ন হবে।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব