এন্টারটেইনমেন্ট ডেস্ক: দক্ষিণী চলচ্চিত্রের সুপারস্টার বিজয়ের ব্যক্তিগত জীবন সাম্প্রতিক সময়ে বড় ধরনের অস্থিরতায় পড়েছে। অভিনেতার ২৬ বছরের দাম্পত্য জীবনে ভাঙনের খবর প্রকাশ পেয়ে বিনোদন জগতে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, দীর্ঘদিনের সম্পর্কের পর ১৯৯৯ সালে বিজয় তার স্ত্রী সঙ্গীতা সোরনালিগমকে বিয়ে করেছিলেন। তাদের দুই সন্তান রয়েছে।
বিনোদনমাধ্যমের সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি সঙ্গীতা বিচ্ছেদের জন্য আদালতে আবেদন করেছেন। অভিযোগ উঠেছে, বিজয় তার সহকর্মী অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানের সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে খবর, এই বিষয়ই প্রধান কারণ হিসেবে শোনা যাচ্ছে।
অভিনয়ের পাশাপাশি বিজয় রাজনীতিতেও সক্রিয়। তিনি নতুন রাজনৈতিক দল তামিলাগা ভেট্রি কাজাগম (টিভিকে)-এর প্রতিষ্ঠাতা। তার ব্যক্তিগত জীবনের অস্থিরতার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তামিলনাড়ুতে আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ব্যক্তিগত জীবনের এই সংকট কিছুটা হলেও বিজয়ের রাজনৈতিক ভাবমূর্তিকে প্রভাবিত করতে পারে।
বিজয়ের ভক্তদের মধ্যে এই খবরের প্রতিক্রিয়া মিশ্র। কেউ তাকে সমর্থন জানাচ্ছেন, কেউ সমালোচনা করছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজয়ের এবং তার স্ত্রী সঙ্গীতার সম্পর্ক নিয়ে বহু আলোচনা চলছে।
বিচ্ছেদের মামলা ইতিমধ্যে আদালতে দায়ের করা হয়েছে। আগামী ২০ এপ্রিল মামলার পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। আইনজীবীরা বলছেন, ব্যক্তিগত বিষয়ে আদালতের পদক্ষেপ সময়সাপেক্ষ হতে পারে এবং দুই পক্ষের সাক্ষ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।
বিজয় যদিও ব্যক্তিগত জীবনে এই চাপের মুখোমুখি হয়েছেন, তবে রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার জন্য তিনি আগেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলছেন, ভক্তদের ভালোবাসা এবং সমর্থনই আমার শক্তি। ভবিষ্যতে তাদের জন্য কাজ করতেই চাই।
চলচ্চিত্র ও রাজনীতির পাশাপাশি এই ধরনের ব্যক্তিগত অস্থিরতা বিজয়ের ভাবমূর্তিকে নতুনভাবে প্রভাবিত করতে পারে, তাই বিনোদন ও রাজনৈতিক মহল দুইই এ বিষয়ে চোখ রাখছে।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি