আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের তথাকথিত ‘ছায়া ব্যাংকিং’ ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত ৩৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ বিভাগ। যুদ্ধবিরতি নিয়ে চলমান আলোচনায় অচলাবস্থার মধ্যেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হলো।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে কয়েক হাজার কোটি ডলারের অবৈধ অর্থ স্থানান্তর হয়েছে। তাঁর দাবি, এসব তহবিল ইরানের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সহায়তা করেছে।
এদিকে নিষেধাজ্ঞার ঘোষণার পর উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমন প্রেক্ষাপটে ইরানের পক্ষ থেকেও কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী আইআরজিসি-ঘনিষ্ঠ বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ জানায়, দেশটির সামরিক বাহিনী এখনও পরিস্থিতিকে ‘যুদ্ধকালীন’ হিসেবে বিবেচনা করছে এবং সার্বক্ষণিক নজরদারি বজায় রেখেছে।
ইরানের সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র বলেন, আমাদের জন্য পরিস্থিতি এখনও যুদ্ধকালীন। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমরা সর্বদা প্রস্তুত এবং পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
শত্রুপক্ষকে সতর্ক করে তিনি আরও বলেন, কোনো পক্ষ নতুন পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করলে, তাদের সম্পূর্ণ নতুন ধরনের সামরিক কৌশল ও শক্ত প্রতিরোধের মুখে পড়তে হবে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নতুন নিষেধাজ্ঞা ও পাল্টা কঠোর অবস্থানের কারণে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্কের টানাপোড়েন আরও বাড়তে পারে এবং চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি