স্টাফ রিপোর্টার: ক্রিকেট ক্যারিয়ার শেষে পুরোপুরি রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসান। তিনি বলেছেন, রাজনীতিতে তার একমাত্র পছন্দ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং দল পরিবর্তনের কোনো ইচ্ছা তার কখনো ছিল না।
সম্প্রতি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের রাজনৈতিক অবস্থান, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও দেশে ফেরার প্রসঙ্গ নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন সাকিব।
তিনি বলেন, আমার এত দল পরিবর্তনের শখ নেই। ছোট দলেও যখন খেলেছি, তখনও সেই দলের প্রতি অনুগত ছিলাম। পল্টি দেওয়ার অভ্যাস আমার নেই।
বর্তমানে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে চাপে থাকলেও এই পরিস্থিতি স্থায়ী হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সাকিব বলেন, আজীবন কাউকে নিষিদ্ধ করে রাখা যায় না। এটা মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার। জোর করে কিছুদিন দমিয়ে রাখা সম্ভব হলেও তাতে দেশের বা রাজনীতির কোনো উন্নতি হয় না।
রাজনীতিতে প্রতিহিংসার সংস্কৃতি বন্ধ হওয়া প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগে যদি ভুল হয়ে থাকে এবং এখনো যদি একই চর্চা চলতে থাকে, তাহলে এই চক্র চলতেই থাকবে। কাউকে না কাউকে এটি বন্ধ করতে হবে।
২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে মাগুরা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন সাকিব। তবে সরকার পরিবর্তনের পর গত আগস্ট থেকে তিনি দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। তবুও মাগুরার মানুষের প্রতি নিজের আস্থার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে মাগুরার মানুষ আবারও আমাকে ভোট দেবে বলে আমার বিশ্বাস।
তিনি আরও জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের পর সম্ভাব্য নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগ্রহ ছিল তার। তবে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও দলের সিদ্ধান্তের কারণে সেটি সম্ভব হয়নি।
বর্তমানে সাকিবের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা, চেক জালিয়াতি ও শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। এসব মামলার আইনি মোকাবিলা করতে দেশে ফিরতে চান জানিয়ে তিনি বলেন, আমি আইনের মুখোমুখি হতে চাই। তবে সাধারণ নাগরিক হিসেবে নিরাপত্তা ও হয়রানি না করার নিশ্চয়তা প্রয়োজন। সেই নিশ্চয়তা পেলে দ্রুতই দেশে ফিরব।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি