দাগনভূঞা প্রতিনিধি: ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায় মো. জসিম উদ্দিন (৩৮) নামে এক কাঠমিস্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১৭ মে) সকালে উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের বাঁধের গোড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত জসিম উদ্দিন নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার লেমুয়া গ্রামের ঠনারপাড় এলাকার মৃত শাহ আলমের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে দাগনভূঞার বাঁধের গোড়া এলাকায় ফার্নিচার ব্যবসায়ী মো. জাকের হোসেনের দোকানে কাঠমিস্ত্রী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার পরিবারে স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতে নিজ কক্ষে ঘুমাতে যান জসিম। রোববার সকাল ৯টার পরও তার কোনো সাড়া না পেয়ে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হলে দাগনভূঞা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে খাটের ওপর পড়ে থাকা তার মরদেহ উদ্ধার করে।
পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি স্ট্রোকজনিত কারণে মারা যেতে পারেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিহতের ছোট ভাই মো. সুমন জানান, জসিম উদ্দিনের সঙ্গে কারও কোনো বিরোধ ছিল না। পাঁচ মাস আগে স্ত্রী-সন্তানদের গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়ে তিনি একাই ওই ভাড়া বাসায় থাকতেন। কয়েকদিন আগে তিনি বাড়িতেও গিয়েছিলেন বলে জানান তিনি।
দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম বলেন, “পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তারপরও অধিকতর তদন্তের স্বার্থে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।”
রিপোর্টার্স২৪/মিতু