স্টাফ রিপোর্টার: অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা হলে আত্মরক্ষার্থে প্রয়োজনীয় বল প্রয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ। তবে এ ক্ষেত্রে পুলিশের চেষ্টা থাকবে সর্বনিম্ন মাত্রায় শক্তি প্রয়োগ করার।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাতে ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, যেখানে পুলিশ আক্রান্ত হবে, যেখানে অস্ত্র ব্যবহার হবে, সেখানে অবশ্যই আত্মরক্ষার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। আজকের ঘটনায়ও আমরা আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার না করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু তারা অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর আক্রমণ করায় আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না।
মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর আদাবরে এক বিকাশ এজেন্টকে কুপিয়ে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ধরতে বিকেলে অভিযান চালালে আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও এক উপ-পরিদর্শককে (এসআই) চাপাতি দিয়ে আঘাত করা হয়। এ সময় পুলিশ গুলি ছুড়লে সন্দেহভাজন দুজন আহত হন।
ঘটনাস্থল থেকে রুবেল, কাশেম, আমির ও জয় নামে চারজনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে আমির ও রুবেল পুলিশের গুলিতে আহত হয়েছেন।
মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পে প্রতিদিন পুলিশের অভিযান পরিচালিত হচ্ছে উল্লেখ করে মোসলেহ উদ্দিন আহমদ বলেন, সেখানে মাদককেন্দ্রিক একটি অপরাধচক্র গড়ে উঠেছে। মাদকের কারণেই ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধের ঘটনা বেশি ঘটে। শুধু মোহাম্মদপুর নয়, রাজধানীর প্রতিটি থানার আওতায় মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযানের কারণে অপরাধের মাত্রা কমেছে বলেও দাবি করেন ডিএমপি কমিশনার। তিনি বলেন, ‘শুধু মোহাম্মদপুর নয়, রাজধানীর প্রতিটি এলাকার মানুষ যাতে নিরাপদে বসবাস করতে পারে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকে, সে লক্ষ্যেই পুলিশ কাজ করছে।’
তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা এবং অপরাধের ধরন বিবেচনায় মোহাম্মদপুরসহ কয়েকটি থানার প্রতি বিশেষ নজর দিতে হচ্ছে।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি