ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষকৃত্য অনুষ্ঠান ও দাফনকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান। এছাড়া ইরাকেও একটি শোকানুষ্ঠানের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ইরানের কর্মকর্তারা আশা করছেন, শোকানুষ্ঠান ও দাফনে অংশ নিতে প্রায় দুই কোটি মানুষের সমাগম হতে পারে।
দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে রোববার (২৮ জুন) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৪ জুলাই রাজধানী তেহরান এবং ধর্মীয় শহর কোমে শোকানুষ্ঠান শুরু হবে। এরপর ৯ জুলাই খামেনির জন্মশহর উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মাশহাদে তাকে দাফন করা হবে।
শোকানুষ্ঠান নির্বিঘ্ন করতে পুলিশ ও দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এদিকে ইরাকের কারবালার একটি শিয়া পবিত্র স্থানে পৃথক শোকানুষ্ঠানেরও পরিকল্পনা রয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এ বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।
৮৬ বছর বয়সী আলি খামেনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে তার সরকারি বাসভবনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় নিহত হন। প্রথমে তার দাফন অনেক আগেই সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও নিরাপত্তাজনিত কারণে তা কয়েক দফা পিছিয়ে দেয়া হয়। কারণ, অনুষ্ঠানে ইরানের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রায় সবাই উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব