২০০৮ সালে তিনি ৬০ শতক জমিতে মাছ চাষ শুরু করেন। বর্তমানে তার মাছ চাষের পরিধি বেড়ে দাঁড়িয়েছে চার একরে।
পাঁচ থেকে ছয় বছর আগে ফিশারির পাড়ের খালি জায়গায় ফলগাছের চারা রোপণের উদ্যোগ নেন তিনি। সেখানে ১২০টি বারি-৪ জাতের আমগাছ এবং এক হাজার সুপারি গাছের চারা লাগান। প্রতিবছরই আম ও সুপারি বিক্রি করে ভালো লাভ করছেন তিনি।
অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর আমের বাম্পার ফলন হওয়ায় বেশ খুশি মহরম আলী। তিনি জানান, সঠিক দামে বিক্রি করতে পারলে চলতি বছর আরও বেশি লাভের মুখ দেখবেন। মাছ চাষে তেমন লাভ না হলেও বছরে প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকার আম ও সুপারি বিক্রি করেন বলে জানান তিনি।
তবে আম ও সুপারিতে লাভবান হলেও অন্যান্য ফলের চাষে লোকসানের মুখে পড়েছেন মহরম আলী। তিনি জানান, প্রায় ২০ শতক জমিতে তিন থেকে চার বছর আনার চাষ করে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। যদিও এ ক্ষেত্রে উপজেলা কৃষি অফিস সার্বিক সহযোগিতা করেছে। এছাড়া লটকন ও লিচু চাষেও আশানুরূপ ফলন পাচ্ছেন না বলে জানান তিনি।
বর্তমানে তার ফিশারিটি বিভিন্ন কাজে এলাকার মানুষ ব্যবহার করছেন। মহরম আলীর এই উদ্যোগ দেখে স্থানীয় অনেকেই মাছ চাষের পাশাপাশি ফলজ বাগান গড়ে তুলতে উৎসাহিত হয়েছেন বলে জানা গেছে।