স্পোর্টস ডেস্ক: জাপানের শক্ত রক্ষণভাগের দেয়াল অবশেষে ভাঙতে সক্ষম হয়েছে ব্রাজিল। ম্যাচের ৫৬তম মিনিটে অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার কাসেমিরোর দুর্দান্ত হেডে ১-১ সমতায় ফেরে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
প্রথমার্ধে জাপানের গোলের সময় কাসেমিরোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। বিরতির পর একটি সহজ সুযোগও নষ্ট করেন তিনি। তবে কিছুক্ষণ পরই সেই ভুলের প্রায়শ্চিত্ত করেন ব্রাজিলিয়ান এই মিডফিল্ডার।
ডান দিক থেকে ভেসে আসা ক্রস পেছনের পোস্টে দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে শক্তিশালী হেডে বল জালে জড়ান কাসেমিরো। তার গোলেই ম্যাচে সমতা ফেরায় সেলেসাওরা এবং নতুন করে ম্যাচে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
সমতায় ফেরার পর আক্রমণের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দেয় ব্রাজিল। তাদের ধারাবাহিক চাপ সামাল দিতে ম্যাচের ৬৫তম মিনিটে জোড়া পরিবর্তন আনেন জাপানের কোচ হাজিমে মোরিয়াসু। উইং-ব্যাক রিৎসু দোয়ান ও কেইতো নাকামুরাকে তুলে মাঠে নামানো হয় ইউকিনারি সুগাওয়ারা এবং জুননোসুকে সুজুকিকে।
পুরো ম্যাচজুড়েই দোয়ান ও নাকামুরাকে আক্রমণ ও রক্ষণ—দুই ভূমিকাতেই সমানভাবে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। ব্রাজিলের লাগাতার আক্রমণ সামলাতে গিয়ে তারা শারীরিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন বলেই এই পরিবর্তন আনা হয়।
দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি সময়ে হাইড্রেশন বিরতির সময় স্কোরলাইন ছিল ১-১। তবে খেলার নিয়ন্ত্রণ ছিল পুরোপুরি ব্রাজিলের হাতে। বিরতির পর থেকে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দিয়ে জাপানের রক্ষণভাগের ওপর ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করে।
ম্যাচের তৃতীয় ভাগে ব্রাজিলের আধিপত্য ছিল স্পষ্ট, আর এর পেছনে কোচ কার্লো আনচেলত্তির কৌশলগত পরিকল্পনার বড় ভূমিকা ছিল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি