স্পোর্টস ডেস্ক: বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে শক্তিশালী একাদশ নিয়েই মাঠে নামছে পর্তুগাল ও ক্রোয়েশিয়া। দুই দলই ৪-২-৩-১ ফরমেশনে খেলতে নামায় মধ্যমাঠের লড়াই জমে ওঠার আভাস মিলছে।
পর্তুগাল কোচ রবার্তো মার্তিনেজ প্রত্যাশিতভাবেই দলের আক্রমণভাগের নেতৃত্বে রেখেছেন অধিনায়ক ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে। তবে একাদশে রয়েছে দুটি পরিবর্তন। বাঁ প্রান্তে জোয়াও ফেলিক্সের জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন রাফায়েল লেয়াও, আর মাঝমাঠে রুবেন নেভেসের পরিবর্তে খেলছেন জোয়াও নেভেস।
রোনালদোর পেছনে আক্রমণ সাজানোর দায়িত্বে থাকবেন ব্রুনো ফার্নান্দেজ। দুই উইংয়ে তাকে সহায়তা করবেন রাফায়েল লেয়াও ও পেদ্রো নেতো। মাঝমাঠে জোয়াও নেভেস ও ভিতিনিয়া জুটি গড়বেন, আর রক্ষণভাগে থাকছেন জোয়াও ক্যানসেলো, রুবেন দিয়াস, রেনাতো ভেইগা ও নুনো মেন্দেস। গোলবারের নিচে দায়িত্ব পালন করবেন দিয়োগো কস্তা।
কাগজে-কলমে সৃজনশীলতা ও আক্রমণভাগের শক্তিতে এগিয়ে রয়েছে পর্তুগাল। বিশেষ করে তরুণ খেলোয়াড়দের গতি ও উদ্যম ক্রোয়েশিয়ার অভিজ্ঞ মাঝমাঠের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
অন্যদিকে, বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা করে দেওয়া ঘানার বিপক্ষে জয়ী একাদশেই আস্থা রেখেছেন ক্রোয়েশিয়া কোচ জ্লাতকো দালিচ। ঘানাকে ২-১ গোলে হারানো ম্যাচের দলেই কোনো পরিবর্তন আনেননি তিনি।
৩৪ বছর বয়সী আন্তে বুদিমির আক্রমণভাগের নেতৃত্ব দেবেন। তার পেছনে থাকবেন পেতার সুচিচ, নিকোলা ভ্লাসিচ ও মার্টিন বাতুরিনা। ঘানার বিপক্ষে গোল পাওয়া সুচিচ ও ভ্লাসিচ এবারও নিজেদের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চাইবেন।
ক্রোয়েশিয়ার মাঝমাঠে থাকছেন অভিজ্ঞ জুটি লুকা মদ্রিচ ও মাতেও কোভাচিচ। পর্তুগালের তরুণ মিডফিল্ডারদের বিপরীতে তাদের অভিজ্ঞতা হতে পারে দলের বড় শক্তি। রক্ষণভাগে ইভান পেরিসিচ ও যোসিপ স্তানিসিচ দুই প্রান্ত সামলাবেন, আর মাঝখানে থাকবেন যোসিপ শুতালো ও মারিন পংরাচিচ। গোলবারের নিচে থাকবেন অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ডমিনিক লিভাকোভিচ।
তরুণ শক্তি ও অভিজ্ঞতার এই লড়াইয়ে কে শেষ পর্যন্ত জয়ী হয়, সেটিই এখন দেখার অপেক্ষা।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি