স্পোর্টস ডেস্ক: ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে উত্তেজনাপূর্ণ প্রথমার্ধ শেষে গোলশূন্য সমতায় বিরতিতে গেছে ব্রাজিল ও নরওয়ে। প্রথম ৪৫ মিনিটে নরওয়ের একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়েছে, আর ব্রাজিল নষ্ট করেছে পেনাল্টির সুবর্ণ সুযোগ।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে ম্যাচের গতি আরও বেড়ে যায়। যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে কাসেমিরোর দারুণ একটি পাসে দৌড়ে যান গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি। তবে বলটি তার নাগালের সামান্য বাইরে থাকায় সুযোগটি কাজে লাগাতে পারেননি।
যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে আর্লিং হাল্যান্ডের চাপে ব্রাজিলের রক্ষণে মুহূর্তের জন্য অস্থিরতা তৈরি হয়। বল পেয়ে মার্টিন ওদেগার্ড শট নেওয়ার যথেষ্ট সময় পেলেও ব্রাজিল গোলরক্ষক আলিসন বেকার দারুণ দক্ষতায় সেটি রুখে দেন। সুযোগটি আরও ভালোভাবে কাজে লাগাতে পারতেন নরওয়ের অধিনায়ক।
৪১ মিনিটে টানা আক্রমণ চালায় ব্রাজিল। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে আবারও বাম প্রান্তে বেশ খানিকটা জায়গা দেওয়া হলেও জুলিয়ান রিয়ারসন দ্রুত ফিরে এসে বিপদ সামাল দেন। কিছুক্ষণ পর ভিনিসিয়ুসের ঘুরে নেওয়া শটও চমৎকারভাবে ঠেকিয়ে দেন নরওয়ের গোলরক্ষক ওরইয়ান নিয়ল্যান্ড।
৩৮ মিনিটে হাল্যান্ড আলিসনের ওপর দিয়ে বল তুলে দেওয়ার চেষ্টা করলেও শটে প্রয়োজনীয় উচ্চতা না থাকায় ব্রাজিলের গোলরক্ষক সহজেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এরপর ৪৩ মিনিটে হাল্যান্ডের পাস থেকে ওদেগার্ডের শট কর্নারের বিনিময়ে প্রতিহত করে ব্রাজিলের রক্ষণ। তবে সেই কর্নার থেকেও কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি নরওয়ে।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে নরওয়ের পাসিংয়ে কিছুটা অস্থিরতা দেখা যায়। কয়েকবার সহজে বল হারালেও ব্রাজিল তা কাজে লাগাতে পারেনি। নির্ধারিত সময় শেষে ছয় মিনিট অতিরিক্ত সময় যোগ করা হলেও কোনো দলই জালের দেখা পায়নি।
ফলে প্রথমার্ধ শেষে ব্রাজিল ও নরওয়ে ০-০ সমতায় বিরতিতে যায়। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে গোলের খোঁজে আরও আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেওয়ার প্রত্যাশা দুই দলের সমর্থকদের।