বাগেরহাট প্রতিনিধি: সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর ৩ সক্রিয় সদস্য এক জিম্মি জেলেসহ কোস্ট গার্ডের নিকট আত্মসমর্পণ করেছে।
বৃহস্পতিবার (৯জুলাই) সকালে কোস্টগার্ডের মোংলা বেইসে তারা আত্মসমর্পণ করেন। এসময় দুটি দেশীয় একনলা বন্দুক, একটি দেশীয় পাইপগান, ৪০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ জমা দেয় তারা।
বিসিজিএস কামরুজ্জামানের নির্বাহী কর্মকর্তা কমান্ডার মো. মানসুরুন মাহ্দীন জানান, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ধারাবাহিক ও সফল অভিযানের ফলে সুন্দরবনে সক্রিয় বিভিন্ন দস্যু বাহিনী বর্তমানে ব্যাপকভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। কোস্ট গার্ডের কঠোর নজরদারি, গোয়েন্দা তৎপরতা এবং নিয়মিত অভিযানের ফলে দস্যুরা তাদের কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যর্থ হচ্ছে। যার ফলশ্রুতিতে সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর ৩ জন সক্রিয় সদস্য দল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে কোস্ট গার্ডের নিকট আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। আত্মসমর্পণকারী ডাকাত আলামিন হোসেন বাগেরহাট জেলার মোংলা থানা, তৈবুর রহমান) সাতক্ষীরা জেলার তালা থানা এবং মনিরুজ্জামান মামুন খুলনার জেলার কয়রা থানার বাসিন্দা। তারা বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন যাবৎ সুন্দরবনে ডাকাতিসহ সাধারণ জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করে আসছিল।
এর আগে গেল ২১ মে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ কোস্ট গার্ডের আত্মসমর্পণ করে সুন্দরবনের আরেক কুখ্যাত ডাকাত ছোট সুমন বাহিনীর ৭ সদস্য।
এদিকে সুন্দরবন অঞ্চলে সক্রিয় সকল বনদস্যু বাহিনী নির্মূল এবং উপকূলীয় অঞ্চলের সাধারণ জেলে, বাওয়ালি ও বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে “অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন” এবং “অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড” নামে দুটি বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে বলে জানায় কোস্টগার্ড।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব