শেরপুর প্রতিনিধি:শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার ভারত সীমান্তে কথিত ‘পুশইন’ ঠেকাতে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন সীমান্তবর্তী গোমরা গ্রামের বাসিন্দারা। সম্ভাব্য অনুপ্রবেশ ঠেকাতে তারা দিন-রাত পালাক্রমে সীমান্ত এলাকায় অবস্থান নিচ্ছেন। একই সঙ্গে সীমান্তে টহল ও নজরদারি জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঝিনাইগাতী উপজেলার মেঘালয় সীমান্তসংলগ্ন গোমরা গ্রামের বাসিন্দারা চারটি পৃথক দলে বিভক্ত হয়ে সীমান্তের জিরো পয়েন্টের কাছাকাছি এলাকায় পাহারা দিচ্ছেন। প্রতিটি দলে ১৫ থেকে ২০ জন করে সদস্য রয়েছেন।
গ্রামবাসীদের দাবি, গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ওই সীমান্ত দিয়ে চারজনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার (পুশইন) চেষ্টা চালায়। তবে বিজিবির তৎপরতা ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এরপর থেকে আবারও একই ধরনের ঘটনার আশঙ্কায় সীমান্ত এলাকায় স্বেচ্ছায় পাহারা শুরু করেন স্থানীয়রা।
গোমরা গ্রামের স্থানীয় যুবদল নেতা আনোয়ার হোসেন বলেন, “আমাদের কাছে খবর রয়েছে, সীমান্তের ওপারে প্রায় ২০০ জনকে এনে রেখেছে বিএসএফ। তাদের যেকোনো সময় এ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হতে পারে। এ কারণে আমরা দিন-রাত পাহারা দিচ্ছি। বিজিবিও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।”
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ ৩৯ বিজিবির সহকারী পরিচালক মো. মিজানুর রহমান বলেন, “গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে স্থানীয়
এলাকাবাসীর সহযোগিতায় বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করা হয়েছে। সীমান্তে বিজিবির টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি প্রস্তুত রয়েছে।”
তবে সীমান্তের ওপারে প্রায় ২০০ জনকে জড়ো করে রাখার বিষয়ে স্থানীয়দের দাবির স্বাধীন কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।
রিপোর্টার্স২৪/রাফিদ