রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: দেশের চারটি নদীর পানি ছয় জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে এখনও বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে দীর্ঘস্থায়ী বন্যার কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
শনিবার (১১ জুলাই) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নিয়মিত পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানান সংস্থাটির নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান।
তিনি জানান, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে কিছু এলাকায় বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
একই সময়ে ফেনী, চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি জেলার মুহুরী, ফেনী, সেলোনিয়া ও হালদা নদীর পানি বাড়তে পারে। এর ফলে এসব জেলার নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও সাময়িক বন্যা দেখা দিতে পারে। পাশাপাশি লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর নিচু এলাকাগুলোও প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ১২৭টি পানি পর্যবেক্ষণ স্টেশনের মধ্যে ৫৭টিতে নদ-নদীর পানি বাড়ছে, ৬৪টিতে কমছে এবং ছয়টি স্টেশনে পানি অপরিবর্তিত রয়েছে।
এ ছাড়া তিস্তা, কুশিয়ারা, সুরমা, সোমেশ্বরী, মুহুরী ও মাতামুহুরী নদীর কয়েকটি পর্যবেক্ষণ পয়েন্টে পানি সতর্কসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম