রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: দেশের তরুণ উদ্যোক্তা ও সম্ভাবনাময় স্টার্টআপগুলোর পাশে সরকার সবসময় থাকবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, নতুন কিছু করার পথ সহজ নয়, তবে উদ্যোক্তাদের এগিয়ে নিতে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে, যাতে তারা নিজেদের উদ্যোগের মাধ্যমে দেশ ও মানুষের কল্যাণে অবদান রাখতে পারেন।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব আলী চৌধুরী সিনেট হলে আয়োজিত ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নতুন উদ্যোক্তা বা যারা উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন, তাদের জন্য পথটি কঠিন হলেও ইচ্ছাশক্তি ও পরিশ্রমের মাধ্যমে সফল হওয়া সম্ভব।
তিনি বলেন, আপনারা যারা এখানে নতুন উদ্যোক্তা বা সম্ভাব্য উদ্যোক্তা রয়েছেন, যারা এগিয়ে আসতে চাচ্ছেন, যারা কিছু করতে চাচ্ছেন আপনাদের শুধু একটা কথা বলি, আপনারা যেটা করতে চাইছেন, এটা খুব সহজ কাজ নয়, খুবই কঠিন। কিন্তু আপনার ইচ্ছা থাকলে আপনি পারবেন।
উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করার চেষ্টা থাকবে।
তারেক রহমান বলেন, আমরা আছি আপনাদের সঙ্গে, আপনাদের সহযোগিতা করার জন্য, পথ দেখানোর জন্য। আপনাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমরা আছি। কতটুকু পারব, তা জানি না তবে যতটুকু সম্ভব, সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে আপনাদের পাশে থাকার চেষ্টা করব।
তরুণ উদ্যোক্তাদের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা শুধু নিজেদের জন্য নয়, দেশের লাখো-কোটি মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাদের উদ্ভাবন, উদ্যোগ ও সৃজনশীলতা দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী করার পাশাপাশি কর্মসংস্থান তৈরিতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি বলেন, আপনারা যারা উদ্যোক্তা হবেন, যারা হতে চাইছেন, যারা ইতোমধ্যে হয়েছেন এবং যারা মানুষ, সমাজ ও দেশের উপকার করছেন। আপনাদের প্রয়োজন রয়েছে। শুধু নিজেদের জন্য নয়, আপনাদের প্রয়োজন এই দেশের জন্য।
বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী নিজের জীবনের সংগ্রামের কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় নানা প্রতিকূলতা, মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন এবং অপমানের মধ্য দিয়ে তাকে এগিয়ে যেতে হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকে তিনি তরুণদের কঠিন সময়ে ধৈর্য ধরে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে তারেক রহমান বলেন, সাম্প্রতিক বিভিন্ন উদ্ভাবনী আয়োজন, স্কুলশিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ এবং স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের কার্যক্রম দেখে তিনি আশাবাদী। তিনি বিশ্বাস করেন, আগামী প্রজন্ম বাংলাদেশের নেতৃত্ব নিয়ে দেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম