কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) স্থায়ী ‘জুলাই স্মৃতিফলক’ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের গ্রাফিতি সংরক্ষণের জন্য বর্তমান ফটকের আদলে একটি ডামি গেট নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, শিক্ষার্থী, বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের দাবি এবং গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জুলাই স্মৃতি সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধান ফটকের সামনে ডায়না চত্বর সংলগ্ন প্রাক্তন ‘মৃত্যুঞ্জয়ী’ ম্যুরালের স্থানে স্থায়ীভাবে জুলাই স্মৃতিফলক নির্মাণ করা হবে। আগামী ১ আগস্ট এটি উদ্বোধন করার পরিকল্পনা রয়েছে। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন।
এ ছাড়া প্রধান ফটকের উত্তর বা দক্ষিণ পাশে বর্তমান ফটকের আদলে একটি ডামি গেট নির্মাণ করা হবে, যাতে ঐতিহাসিক গ্রাফিতি সংরক্ষণ করা যায়। পাশাপাশি ক্যাম্পাসে থাকা ফ্যাসিস্ট সরকারের বিভিন্ন চিহ্ন ও গ্রাফিতি অপসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা জুলাই স্মৃতি সংরক্ষণশালাও পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, “আমি নিজেই জুলাইয়ের উপাচার্য। তাই জুলাইয়ের গ্রাফিতি মুছে ফেলার যে তথ্য ছড়িয়েছে, তা বিভ্রান্তিকর। বরং জুলাইয়ের সম্মানার্থেই আমরা স্থায়ী স্মৃতিফলক স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, “প্রধান ফটকের আদলে একটি ডামি গেট নির্মাণ করা হবে। একই সঙ্গে ফ্যাসিস্টদের কোনো চিহ্ন যেন ক্যাম্পাসে না থাকে, সে জন্য সংশ্লিষ্ট গ্রাফিতিগুলো অপসারণ করা হবে। জুলাইকে ঘিরে আমাদের আরও বড় পরিকল্পনা রয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।
রিপোর্টার্স২৪/রাফিদ