স্পোর্টস ডেস্ক: বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে শুরুতেই দারুণ সূচনা করেছে ইংল্যান্ড। মিয়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে ফ্রান্সের বিপক্ষে ম্যাচের মাত্র ২ মিনিট ৪০ সেকেন্ডেই দুর্দান্ত এক দূরপাল্লার গোলে থ্রি লায়ন্সদের এগিয়ে দিয়েছেন এই ম্যাচে অধিনায়কত্ব করা ডেকলান রাইস।
এরপর ১২ মিনিটে বুকায়ো সাকা বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। কিন্তু ১৮ মিনিটে এজরি কনসার হেডের জবাব ছিল না ফ্রান্সের কাছে। রাইসের ক্রস থেকে হেডে গোলটি করেন কনসা।
দুর্দান্ত শুরু ইংল্যান্ডের। কিন্তু তৃতীয় গোলটি পেতে ইল্যোন্ডকে ভালোই লড়াই করতে হয়েছে। গোলটি করেন বুকেও সাকা। চতুর্থ গোলটিও আসে তার পা থেকেই। প্রথমার্ধের বারতি সময়ে অর্থাৎ ৪৬ মিনিটে তিনি গোলটি করেন।
ফ্রান্স কি সেমিফাইনালে হারের শোক কাটিয়ে উঠতে পারছে না?
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখে থমাস টুখেলের শিষ্যরা। প্রথম মিনিটে কিক-অফের পরই আক্রমণে যায় ফ্রান্স। রায়ান চেরকি খেলা শুরু করলেও দ্রুতই বলের নিয়ন্ত্রণ নেয় ইংল্যান্ড।
দ্বিতীয় মিনিটে বাম প্রান্ত দিয়ে মার্কাস রাশফোর্ড আক্রমণ গড়ে তোলেন। তার বাঁকানো ক্রস লক্ষ্য ছিল স্ট্রাইকার ইভান টোনি। যদিও ফরাসি রক্ষণ তা সামাল দিতে সক্ষম হয়।
তবে এক মিনিট পরই আসে ম্যাচের প্রথম বড় মুহূর্ত। ফ্রান্সের তরুণ মিডফিল্ডার ওয়ারেন জাইরে-এমেরির পরিবর্তে খেলতে নামা দেজিরে দুয়ের ভুল পাস মাঝমাঠে কেটে নেন ডেকলান রাইস। এরপর দ্রুত বল নিয়ে সামনে এগিয়ে প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে দুর্দান্ত এক ডান পায়ের শটে নিচের ডান কোণে বল জড়িয়ে দেন তিনি। ফ্রান্স গোলরক্ষক মাইক মেনিয়াঁর কোনো সুযোগই ছিল না।
রাইসের এই দুর্দান্ত গোলে ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে এমন দ্রুত গোল করে শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নেয় থ্রি লায়ন্স।
সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে শেষ মুহূর্তে ২-১ গোলে হেরে ফাইনালের স্বপ্ন ভেঙেছিল ইংল্যান্ডের। অন্যদিকে স্পেনের কাছে ২-০ ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিল ফ্রান্স। তাই ব্রোঞ্জ জয়ের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নেমেছে দুই দল। তবে শুরুটা হয়েছে ইংল্যান্ডের স্বপ্নমতো।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব