বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হেফাজতে থাকা আসাদুজ্জামান আসাদ (২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্যে ভিন্নতা দেখা দিয়েছে।
রোববার (১৯ জুলাই) বেলা পৌনে ১১টার দিকে আসাদকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল) জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. ইফতেখারুল ইসলাম জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছিল।
অন্যদিকে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) হুসাইন মোহাম্মদ রায়হান দাবি করেন, আসাদকে জীবিত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরে তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ জানায়, গত ১৮ জুলাই বগুড়া শহরের সেউজগাড়ি রেলস্টেশন এলাকা থেকে একটি হত্যা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা ছিনতাই মামলায় আসাদকে আটক করা হয়। ২৯ জুন সংঘটিত ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহত চালকের মোবাইল ফোন আসাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল বলে দাবি পুলিশের।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, রোববার সকালে নাশতা শেষে হাজতখানার ওয়াশরুমে যান আসাদ। দীর্ঘ সময় বের না হলে পুলিশ সদস্যরা ভেতরে গিয়ে তাকে ভেন্টিলেটরের রডে লুঙ্গি পেঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশের দাবি, তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
তবে হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক বলেন, আসাদের গলা ও ঘাড়ে ফাঁসের দাগ পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে শরীরের অন্য কোথাও আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়নি। তবে তাকে হাসপাতালে আনার আগেই মৃত্যু হয়েছিল।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি