স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের আপত্তিকর একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর দাবি করেন, গত ১৭ জুন তিনি ‘দ্বিতীয় বিয়ে’ করেছেন। অবশ্য বিয়ের সাত দিন পরও সদ্য বিবাহিত তরুণীর একটি বায়োডাটায় ‘আনম্যারিড’ লেখা দেখা গেছে।
বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে। এর আগে সোমবার (২০ জুলাই) রাতে এক নারীর সঙ্গে এমপি গাজী নজরুল ইসলামের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়।
ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে প্রথম দিকে জামায়াতের একটি পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে বানানো হয়েছে। তবে রিউমর স্ক্যানার জানিয়েছে, ভিডিওটি ভুয়া নয়, আসল।
পরে জেলা জামায়াত থেকে দাবি করা হয়, ওই নারী এমপি নজরুল ইসলামের ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’। এরপর মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে গাজী নজরুল ইসলাম লেখেন, গত ১৭ জুন, ২০২৬ তারিখে পারিবারিকভাবে এবং আমার প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতে দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়াম বেগমের সঙ্গে তার বাবা মো. মাসুম বিল্লাহর বাসভবনে আমাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়।
এ ব্যাপারে ভিডিওতে দৃশ্যমান নারী মরিয়ম খাতুন বলেন, উনি আমার স্বামী। আমাদের বিয়ে হয়েছে। ওইদিন ঘুরতে গিয়ে আমরা আমার বাবার অফিসে রেস্ট নিচ্ছিলাম। মরিয়ম খাতুন জানান, তিনি এবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছেন।
তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মরিয়ম খাতুনের একটি বায়োডাটা ভাইরাল হয়েছে। তাতে গত ২২ জুন গাজী নজরুল ইসলাম এমপির স্বাক্ষরের ওপর সুপারিশ করে লেখা রয়েছে, ‘জোর সুপারিশ করছি’। সেই বায়োডাটায় মরিয়ম খাতুনের বৈবাহিক অবস্থা ‘অবিবাহিত’ লেখা রয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে যে ১৭ জুন বিয়ে করে থাকলে ২২ জুন এমপি কর্তৃক স্বাক্ষরিত মরিয়মের বায়োডাটাতে ‘অবিবাহিত’ লেখা থাকে কীভাবে? অবশ্য এ বিষয়ে গাজী নজরুল ইসলামের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব