টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের এডিবির অতিরিক্ত বরাদ্দের ৪৬ লাখ টাকা কোন কাজ না করেই উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা প্রকৌশলী উত্তোলন করেছেন বলে অভিযোগ ওঠেছে। উপজেলা প্রকৌশলীর কাছে এবিষয়ে জানতে গিয়ে তাকে অফিসে পাওয়া যায়নি। পরে তাকে মুঠোফোনে ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
জানা যায়, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের ফটোকপি মেশিন অপারেটর উজ্জল হোসেনের স্ত্রী সালমা আক্তারের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মের্সাস ফাতেমা ট্রেডার্স এবং উপজেলা পরিষদের অফিস সহায়ক তোফাজ্জল হোসেনের স্ত্রী বিথি আক্তারের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স তানহা এন্টারপ্রাইজের নামে বিভিন্ন প্রকল্প দেখিয়ে ওই টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। ঘটনাটি প্রশাসনের বিভিন্ন পর্য়ায়ে জানাজনি হওয়ায় ধামাচাপা দিতে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফুটবল বিতরণ,দুঃস্থ নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ ও কিছু কিছু গ্রামে নলকুপ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন একটি মহল। কিন্তু গত অর্থ বছরের ওই প্রকল্পের কাজ না করে টাকা উত্তোলন কতটা বিধি সম্মত এ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
ঘাটাইল ইউএনও অফিসের কর্মচারি উজ্জল হোসেন জানান,তার স্ত্রীর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নামে কোটেশনের মাধ্যমে কয়েকাট প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছেন তবে প্রতিকুল আবহাওয়ার কারণে কাজ করা সম্ভব হয়নি।
উপজেলা পরিষদের অফিস সহায়ক তোফাজ্জল হোসেন জানান,তার স্ত্রীর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তানহা এন্টারপ্রাইজকে দুইটি রাস্তা সহ কয়েকটি প্রকল্প দিয়েছেন। তবে এ কাজের বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না
ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাহমাদুল হাসান জানান,স্থানীয় সাংসদ সময় না দিতে পারায় কাজগুলো সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। এবিষয়ে আরো জানতে চাইলে তিনি ফোন কেটে দেন।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব