স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলকে ভবিষ্যতে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে, বিশেষ করে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। তাঁদের মতে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা, ত্যাগ ও নেতৃত্বের গুণাবলীর কারণে তিনি এ ধরনের দায়িত্ব পালনের যোগ্য।
বর্তমানে হাবিব উন নবী খান সোহেল বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি বিএনপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
ছাত্ররাজনীতি থেকে জাতীয় রাজনীতিতে দীর্ঘ পথচলার মাধ্যমে তিনি বিএনপির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতায় পরিণত হয়েছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। আন্দোলন-সংগ্রামের সময় তিনি একাধিকবার হামলা, মামলা ও কারাবরণের মুখোমুখি হলেও দলীয় আদর্শ ও কর্মসূচির প্রতি অবিচল থেকেছেন।
দলীয় নেতাকর্মীদের দাবি, রাজনৈতিক জীবনে তাঁর বিরুদ্ধে বিপুল সংখ্যক মামলা হয়েছে, যেগুলোর অনেকগুলোকে তাঁরা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা বলে মনে করেন। তাঁদের বক্তব্য, এত প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি দল ও নেতাকর্মীদের পাশে থেকে সাংগঠনিক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন।
তাদের মতে, তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর নিবিড় যোগাযোগ, সাংগঠনিক সক্ষমতা, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং প্রশাসনিক বিষয়ে অভিজ্ঞতা রাষ্ট্র পরিচালনায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। তাঁদের বিশ্বাস, ভবিষ্যতে তাঁকে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হলে তিনি দেশের উন্নয়ন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনকল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন।
বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মতে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগ, সাংগঠনিক অবদান এবং নেতৃত্বের যথাযথ মূল্যায়নের অংশ হিসেবে তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে দেখতে চান তাঁরা।
বিএনপি নেতা হাবিব উন নবী খান সোহেলের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও নাশকতার অভিযোগে সাড়ে চার শর বেশি মামলা ছিল, যা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে কোনো নেতার বিরুদ্ধে থাকা সর্বোচ্চ বা অন্যতম সর্বোচ্চ মামলার রেকর্ড হিসেবে গণমাধ্যমে আলোচিত হয়েছে।
তবে মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগের বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে সরকারের সিদ্ধান্ত এবং বাংলাদেশের সংবিধান ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী নির্ধারিত হয়ে থাকে।
উল্লেখ্য, হাবিব উন নবী খান সোহেলের পৈতৃক নিবাস রংপুরের গুপ্তপাড়ায়। তাঁর বাবার চাকরির সুবাদে জন্ম ও শৈশব কেটেছে দিনাজপুরে। বর্তমানে তিনি ঢাকায় স্বপরিবারে বসবাস করছেন এবং সেখান থেকেই রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব