এন্টারটেইনমেন্ট ডেস্ক: বলিউডের এক নামকরা পরিচালক ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকে রীতিমতো ইমেজ নষ্টের ‘হুঁশিয়ারি’ দিয়ে বসেছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নয়, ঘটনাটা আজ থেকে ২৭ বছর আগের।
১৯৯৯ সালে মুক্তি পেয়েছিল ঐশ্বরিয়া অভিনীত ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘তাল’। সেসময় এই অভিনেত্রীর ক্যারিয়ার গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী বললে ভুল হবে না। পর্দার ঐশ্বরিয়ার গ্ল্যামারে বুঁদ সিনেপ্রেমীরা। নীল চোখের জাদু আর সৌন্দর্যে পর্দায় ঐশ্বরিয়া ম্যাজিক সুপারহিট। ঠিক সেই সময়ই ইন্ডাস্ট্রির এক পরিচালক প্রকাশ্যে জানান, তার ভাবমূর্তি পুরোপুরি নষ্ট করে দেবেন!
এই ঘটনার পেছনে রয়েছে এক অন্য কাহিনি। সুভাষ ঘাই পরিচালিত ‘তাল’ সিনেমাতে অভিনয়ের জন্য ঐশ্বরিয়াকে চেনা ছকের ইমেজ থেকে বের হয়ে আসতে বলেছিলেন। কারণ, ওই সময় গ্ল্যামার সব চরিত্রে অভিনয় করে যাচ্ছিলেন সাবেক এই বিশ্ব সুন্দরী।
‘তাল’ সিনেমার মানুসী চরিত্রের জন্য প্রয়োজন ছিল সাদামাটা একটি মেয়ে। সিনেমার প্রথমভাগে যিনি প্রায় মেকআপ ছাড়াই থাকবেন। ‘তাল’-এর ২৭ বছর পূর্তিতে সিনেমার কাস্টিং নিয়ে অজানা গল্প শেয়ার করেছেন পরিচালক।
তিনি জানান, সিনেমার প্রস্তাব নিয়ে যাওয়ার সময়ই বলেছিলেন, গ্ল্যামার-নির্ভর ইমেজকে সম্পূর্ণ বদলে দিতে হবে। কারণ তখন ঐশ্বরিয়া গ্ল্যামার দুনিয়ার পরিচিত মুখ। কিন্তু, মানসীর জন্য সুভাষ খুঁজেছিলেন সম্পূর্ণ এক ভিন্ন নারী। ছোট শহরের এক তরুণী, যার মধ্যে থাকবে প্রতিভা, সরলতা ও আবেগ। পরিস্থিতির চাপে জীবনের গল্পও বদলে যাবে।
স্মৃতিচারণ করে সুভাষ ঘাই বলেন, আমি ওকে বলেছিলাম, তোমার ইমেজটা আমাকে পুরোপুরি নষ্ট করতে হবে। প্রথম এক ঘণ্টায় তোমাকে কোনও মেকআপ করতে হবে না। ও বলেছিল, হ্যাঁ, আপনি যা বলবেন, আমি তাই করব।
এই নির্মাতার কথায়, আসলে একজন পরিচালক হিসেবে চরিত্রের কথা মাথায় রেখেই এমন কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব