চবি প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম শাটল ট্রেনের দীর্ঘদিনের সংকট নিরসনে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এমপির কাছে ছয় দফা দাবি জানিয়েছেন চাকসুর এজিএস আইয়ুবুর রহমান তৌফিক।
দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—পুরোনো ইঞ্জিন পরিবর্তন, নতুন ট্রেন সংযোজন, লুপ লাইনের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি, বগি সংস্কার, শিডিউল বিপর্যয় নিরসন এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ২৭ হাজার শিক্ষার্থী প্রতিদিন শাটল ট্রেনে ক্যাম্পাস ও নগরের মধ্যে যাতায়াত করেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে ট্রেনের সংখ্যা সংকট, পুরোনো ইঞ্জিন, ভাঙাচোরা বগি, শিডিউল বিপর্যয় ও নিরাপত্তা ঘাটতির কারণে ভোগান্তিতে পড়ছেন তারা।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, পুরোনো ইঞ্জিন ও বগির কারণে প্রায়ই যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। এতে নির্ধারিত সময়ে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয় এবং শিক্ষার্থীদের ক্লাস, পরীক্ষা ও অন্যান্য একাডেমিক কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পাশাপাশি অতিরিক্ত যাত্রী বহন ও বগির স্বল্পতার কারণে শাটল ট্রেনে প্রতিদিনই ভিড়ের সৃষ্টি হচ্ছে।
চাকসুর এজিএস আইয়ুবুর রহমান তৌফিক বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে শাটল ট্রেন এখন ভোগান্তির অন্যতম নাম। ট্রেন সংকট, পুরোনো ইঞ্জিন, ভাঙাচোরা বগি ও শিডিউল বিপর্যয়সহ নানা সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর কাছে ছয় দফা দাবি পেশ করেছি।’
তিনি বলেন, ‘বিশেষ করে ইঞ্জিন পরিবর্তন, নতুন ট্রেন সংযোজন, লুপ লাইনের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি ও নিরাপত্তার বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছি। মন্ত্রী আমাদের সমস্যাগুলো সম্পর্কে অবগত আছেন এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। ২৭ হাজার শিক্ষার্থীর দুর্ভোগ বিবেচনায় সরকার দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে বলে আশা করছি।’
শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি লাঘবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজ অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
রিপোর্টার্স২৪/রাফিদ