স্টাফ রিপোর্টার: শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, পুনর্মূল্যায়নের মাধ্যমে খাতা মূল্যায়নে কিছু পরীক্ষকের দুর্বলতা চিহ্নিত হয়েছে। এসব খাতা আলাদাভাবে শনাক্ত করে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষকদের মূল্যায়ন পদ্ধতি পর্যালোচনা করা হবে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন উপলক্ষে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভায় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যেসব শিক্ষক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা পরবর্তীতে জানানো হবে।
তবে এ মুহূর্তে কতজন শিক্ষককে চিহ্নিত করা হয়েছে, সেই সংখ্যা প্রকাশ করেননি মন্ত্রী।
তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট পরীক্ষকদের চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাদের প্রশিক্ষণ ও জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, এসএসসি পরীক্ষার খাতা পুনর্মূল্যায়নের পর ২৭ হাজার ৮৩৬ জন শিক্ষার্থীর গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে। এছাড়া ৫৬ হাজার ২৫৯ জনের নম্বর পরিবর্তন এবং ফেল থেকে পাস করেছে ৪ হাজার ৫৮৫ জন।
পুনর্মূল্যায়নের পর ৩ হাজার ৭৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।
এবার এসএসসিতে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন। পুনর্মূল্যায়নের জন্য লিখিত ও ব্যাবহারিক মিলিয়ে মোট ১২ লাখ ৮৭ হাজার আবেদন পাওয়া যায়।
মন্ত্রী বলেন, অতীতে শুধু ট্যাবুলেশন শিটের নম্বর যোগ করার ভিত্তিতে পুনঃনিরীক্ষণ করা হতো। খাতার ভেতরে কোনো ভুল বা অনিয়ম থাকলে তা অনেক সময় ধরা পড়ত না।
শিক্ষার্থীরা ভুল মূল্যায়নের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি পরীক্ষার ফলকে কেন্দ্র করে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হওয়ার ঘটনাও ঘটে। এ কারণে এবার খাতা পূর্ণাঙ্গভাবে পুনর্মূল্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টার্স২৪/রাফিদ