শরীয়তপুর প্রতিনিধি: শরীয়তপুর সদর উপজেলা যুবদলের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনকে ঘিরে সভাপতি পদে আলোচনায় রয়েছেন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা মো. শামীম খান। তাকে সভাপতি হিসেবে দেখতে চান তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। তাদের প্রত্যাশা, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক ত্যাগের মূল্যায়নের মাধ্যমে তাকে নেতৃত্বে আনা হলে সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে।
মো. শামীম খান শরীয়তপুরের ঐতিহ্যবাহী খান পরিবারের সন্তান এবং শরীয়তপুর সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, দলীয় কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে তিনি সভাপতি পদের জন্য যোগ্য বলে মনে করছেন তৃণমূলের নেতাকর্মী ও তার সমর্থকরা।
তৃণমূলের নেতাকর্মীরা জানান, যুবদলকে আরও গতিশীল করতে হলে ত্যাগী, পরীক্ষিত ও কর্মীবান্ধব নেতৃত্বের বিকল্প নেই। দলের দুঃসময়ে যারা সংগঠনের পাশে ছিলেন, তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। তাদের মতে, মো. শামীম খান দায়িত্ব পেলে তৃণমূলের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানোর পাশাপাশি সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বেগবান করার সুযোগ তৈরি হবে।
তারা আরও বলেন, নতুন নেতৃত্বের কাছে তাদের প্রত্যাশা নেতাকর্মীদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া, কর্মীদের পাশে থাকা এবং দলীয় কর্মসূচিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ রাখা। এ জন্য যোগ্যতা, ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতাকে প্রাধান্য দিয়ে নেতৃত্ব নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন তারা।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, দলের দায়িত্বশীল নেতারা সার্বিক দিক বিবেচনায় নিয়ে শরীয়তপুর সদর উপজেলা যুবদলের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করবেন এবং যোগ্য নেতাদের যথাযথ মূল্যায়ন করবেন।
এ বিষয়ে মো. শামীম খান বলেন, দলের আদর্শ ও নীতি অনুসরণ করে দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। সব সময় নেতাকর্মীদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। দল আমাকে সভাপতি পদে দায়িত্ব দেওয়ার যোগ্য মনে করলে সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করব। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে শরীয়তপুর সদর উপজেলা যুবদলকে আরও সুসংগঠিত ও গতিশীল করতে চাই। দলের যেকোনো সিদ্ধান্তের প্রতি আমার শ্রদ্ধা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমি ৪টি ষড়যন্ত্রমূলক মামলার শিকার হয়েছি। এর মধ্যে তৎকালীন জেলা নেতৃত্ব আব্দুল জব্বার খান ( বর্তমান যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি), রুহুল আমিন মুন্সি (জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহবায়ক) ও জামাল উদ্দিন বিদ্যুৎ (বর্তমান জেলা যুবদলের সভাপতি) এর সঙ্গে আমি ৩টি মামলার আসামি হয়ে ছিলাম। তাঁদের মতো আমাকেও বিভিন্ন সময়ে নানাভাবে নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। প্রতিকূল পরিস্থিতি, মামলা ও নির্যাতন মোকাবিলা করেও আমি আমার আদর্শ ও সাংগঠনিক অবস্থানে অবিচল থেকেছি।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম