বেনাপোল প্রতিনিধি: বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে ভারত থেকে ট্রাভেল পারমিট ও এক্সিট পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফিরে আসতে হলো ১০ বাংলাদেশি নারী।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৮টার দিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার পেট্রাপোল (হরিদাসপুর) ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট (আইসিপি) দিয়ে তাদের বাংলাদেশে প্রত্যাবাসন করা হয়।
ফেরত আসা ব্যক্তিরা হলেন—১। যশোরের অভয়নগর উপজেলার রানাগাতি গ্রামের বক্কার শেখের মেয়ে টুম্পা বেগম,২। নড়াইল সদর উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের আলী আহাম্মদের মেয়ে সাবিনা বেগম,৩। নড়াইলের কালিয়া উপজেলার শুকত গ্রামের নুরুজ্জামানের মেয়ে নূর বানু,৪। কুমিল্লা চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার কালিকাপুর গ্রামের আবদুল মুনাফের মেয়ে হালিমা,৫। ফরিদপুরের সাঁথিয়া উপজেলার ছোট বাহিরদিয়া গ্রামের মফিজুর মিয়ার মেয়ে তন্নী আক্তার,৬। কুমিল্লার হোমনা উপজেলার দরী ভাসানিয়া গ্রামের আলী আসগরের মেয়ে আফরিন আক্তার,৭। যশোরের অভয়নগর উপজেলার ভূগলহাট গ্রামের আসাদুল সরদারের মেয়ে জান্নাতি,৮। নরসিংদী সদর উপজেলার চিনিশপুর গ্রামের কাশেম মিয়ার মেয়ে সামিয়া আক্তার শান্তা,৯। খুলনার তেরখাদা উপজেলার দক্ষিণ মোকামপুর গ্রামের শহিদুল শেখের মেয়ে শিরিনা খাতুন এবং১০। নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার নওয়াপাড়া গ্রামের আমির হোসেন মোল্লার মেয়ে সুমি খাতুন।
এ সময় দুই দেশের ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা, পুলিশ, পেট্রাপোল ও বেনাপোল আইসিপির কোম্পানি কমান্ডার এবং বিভিন্ন সংবাদকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
তাদের বরাতে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ওসি সাইফুর রহমান বলেন, ভারতের ব্যুরো অব ইমিগ্রেশন, হরিদাসপুর কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন, নয়াদিল্লি থেকে ১৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ইস্যু করা ট্রাভেল পারমিট এবং মুম্বাইয়ের ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (এফআরআরও) থেকে ২৭ অক্টোবর ইস্যু করা এক্সিট পারমিটের ভিত্তিতে তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হয়।
ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে দশজনকে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয় বলে জানান সাইফুর।
তিনি বলেন, “থানায় প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শেষে তাদের যশোরের মানবাধিকার সংগঠন ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’এর প্রতিনিধিদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সংগঠনটির প্রতিনিধিরা তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন।”
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব