এ এইচ সবুজ, গাজীপুর:
গত শুক্রবার (১ আগষ্ট) সকাল আটটার দিকে কাপাসিয়ার পাঁচুয়া এলাকায় লাল শাপলার বিলে ঘুরতে এসে নৌকা ডুবে দুই বন্ধুর মৃত্যু হয়েছে। মর্মান্তিক এ ঘটনায় পাঁচ বন্ধুর মধ্যে বেঁচে যাওয়া তিন জনের একজন যার নাম মোঃ তুহিন।
এই প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা হয় তুহিনের। বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তুহিন জানায়, সত্যিই নৌকাটি একেবারে ছোট ছিল। নৌকা ভাড়া করার সময় মাঝি মোঃ ফারুক অকপটে বলেন, এই নৌকায় ১০ জন উঠলেও কোন সমস্যা নেই। তাই বিলে ঘুরতে আসা পাঁচ বন্ধুই একসাথে নৌকায় উঠে। মাঝি ৫ জনকে নৌকায় উঠিয়েই নৌকা ভাসিয়ে দেয়। কিছুদূর যাওয়ার পর ফেরার পথে ঘটে বিপত্তি। অর্থাৎ নৌকায় পানি উঠতে শুরু করে এবং নৌকা ডুবে যায়।
তুহিন আরো জানায়, নৌকা ডুবার পর পরই মাঝি আমাদেরকে কোন ধরণের সহযোগিতা (উদ্ধার) না করেই সাঁতরে চলে যায়।
নৌকা ডুবে দুই বন্ধুর মৃত্যুর ঘটনায় এখনো পর্যন্ত নৌকার মাঝি মোঃ ফারুক হোসেন এখনো পলাতক রয়েছে।
উল্লেখ্য: কাপাসিয়ার টোক ইউনিয়নের পাঁচুয়া এলাকায় লাল শাপলার বিলে ঘুরতে এসে পাঁচ বন্ধুর মধ্যে নৌকা ডুবে দুই বন্ধুর মৃত্যু হয়েছে। নৌকা ডুবে মারা যাওয়া বায়েজিদের (৩০) বাড়ি ময়মনসিংহের ভালুকার মাস্টারবাড়ী এলাকায়। সে মাস্টার বাড়ি এলাকার সোহরাব উদ্দিনের ছেলে।
অপর বন্ধু মাহিনের (১৬) বাড়ি শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেংরা (টেপির বাড়ি) এলাকায়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও উদ্ধারকারী মোঃ সোহান হাসান জানান, সকালে পাঁচ বন্ধু মিলে শাপলা ফুল তুলতে একটি ছোট ডিঙি নৌকা ভাড়া করে পাঁচুয়া গ্রামের ছোট বিলে নামেন। হঠাৎ নৌকা কাত হয়ে গেলে দুই বন্ধু বিলের পানিতে পড়ে গিয়ে তলিয়ে যান।
এ সময় স্থানীয় সোহানসহ কয়েকজন যুবক অনেক চেষ্টা করে তাদের উদ্ধার করলেও ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যু হয়। অপরজনকে কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
.
রিপোর্টার্স২৪/এস