আরিফুর রহমান, মাদারীপুর
মাদারীপুরের সদর উপজেলার শিরখাড়া ইউনিয়নের প্রবাসী অধ্যুষিত পশ্চিম মাঠ বাঘাবাড়ি গ্রামের বাসিন্দারা চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। গ্রামবাসী এখন পালাক্রমে লাঠি হাতে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে এ গ্রামে চুরির ঘটনা ঘটছে। এতে আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন বাসিন্দারা। ৯ আগস্ট রাতে গ্রামের স্কুলশিক্ষিকা লিপি বেগমের বাড়িতে চুরি করার সময় এলাকাবাসী চারজনকে হাতেনাতে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—ওয়াজেদ শেখের ছেলে জাকির শেখ, আলতা মাতুব্বরের ছেলে ইস্রাফিল মাতুব্বর, শ্রীনদী রায়েরকান্দি গ্রামের সিরাজ শিকদারের ছেলে বাবুল শিকদার এবং দীঘির পাড় গ্রামের মো. কালু।
ঘটনার পর ১১ আগস্ট বিকেলে পশ্চিম মাঠ আলীয়া মাদ্রাসা মাঠে এক সভায় গ্রামবাসী পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় নিরাপত্তা জোরদারের সিদ্ধান্ত নেন। সভায় গ্রেপ্তারকৃত চোরদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হয়।
স্থানীয় যুবক সজিব মাতুব্বর বলেন গ্রামের কিছু চোর আছে এই চোর গুলো প্রতিনিয়ত চুরী করে থাকে আমরা পাড়া বসিয়ে কয়েকজন ধরে পুলিশে দিয়েছি আরো চোর রয়েছে তাই আমরা গ্রামবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়ে পাহারা বসিয়েছি আর আমরা নিজেরাই পাহারা না দিলে চুরি বন্ধ হবে না। তাই সবাই মিলে লাঠি হাতে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছি। আশা করি পুলিশও আরও সক্রিয় হবে।
স্থানীয় নারী মানসুরা আক্তার বলেনচুরির ভয়ে আমরা ঠিকমতো ঘুমাতে পারি না। চোরের কারনে আমাদের গ্রামের মহিলারাও নিরাপদ না এতে আমরা সব আতঙ্কে থাকি, গ্রামে পাহারা শুরু হওয়ায় কিছুটা এখন হলেও স্বস্তি পাচ্ছি।
এ বিষয়ে মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম জানান, চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই প্রতিরোধে শহরের পাশাপাশি গ্রামীণ অঞ্চলেও রাতের টহল কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকজন চোরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এস