রিপোর্টার্স২৪ ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ইসরাইলি হামলায় কমপক্ষে ২৬ জন নিহত হয়েছেন। আল জাজিরা জানিয়েছে, যে জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের ফাতিমা বিনতে আসাদ স্কুলে ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ কমপক্ষে অন্তত ২৬ জন নিহত হয়েছে।
চিকিৎসা সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইসরাইলি ড্রোন ও বিমান হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল মূলত বেসামরিক ও আশ্রয়প্রার্থী জনগণ।
বার্তাসংস্থাটি বলছে, মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ শহরে একদল সাধারণ মানুষের ওপর ড্রোন হামলায় দুজন নিহত এবং অনেকে আহত হন। একই শহরে আরও একজন ড্রোন হামলায় এবং অপর একজন আগের হামলায় আহত হয়ে মারা যান।
ইসরায়েল গত ২রা মার্চ থেকে গাজায় সব ধরনের সহায়তা প্রবেশ বন্ধ রেখেছে। তাদের দাবি, সহায়তা যেন হামাসের হাতে না যায় তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত অবরোধ প্রত্যাহার হবে না। নতুন প্রস্তাবে সহায়তা বিতরণে ইসরায়েলকে নিয়ন্ত্রণ দিতে চাওয়ায় মানবিক সংস্থাগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরাইলে হামলা চালায় ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস। এদিন তারা ১২০০ মানুষকে হত্যা করে প্রায় ২৫১ জনকে জিম্মি করে নিয়ে যায়।
হামাসের হামলার প্রতিশোধে ওই দিন থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। এতে নিহত হয়েছেন ৫২ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি। আহত হয়েছেন এক লাখ ১৮ হাজারেরও বেশি।
১৫ মাসেরও বেশি সময় ধরে টানা অভিযান চালানোর পর যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যস্থতাকারী অন্যান্য দেশগুলোর চাপে গত ১৯ জানুয়ারি থেকে গাজায় যুদ্ধবিরতি শুরু হয়। তবে বিরতির দু’মাস শেষ হওয়ার আগেই গত ১৮ মার্চ থেকে ফের গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে দখলদার ইসরাইল। দ্বিতীয় দফার এ আগ্রাসনে ২৭০০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করা হয়। এছাড়া আহত হয়েছেন সাত হাজারেরও বেশি।