৯৬ মণ ইলিশ নিয়ে মৎস্য বন্দরে ট্রলার

৯৬ মণ ইলিশ নিয়ে মৎস্য বন্দরে ট্রলার

দেশজুড়ে

আগস্ট ১৫, ২০২৩ ১২:১২ অপরাহ্ণ

দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞা ও বৈরী আবহাওয়া কাটিয়ে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে মৎস্য শিকারে ফিরেছেন জেলেরা। তবে সমুদ্র যাত্রার ৬ দিন পর ৯৬ মণ ইলিশ নিয়ে মহিপুর মৎস্য বন্দরে এসেছে এফবি ভাই ভাই নামের একটি মাছ ধরা ট্রলার।

সোমবার দুপুরে বন্দরের ফয়সাল ফিস মাছের আড়তে নিলামে মাছগুলো বিক্রি হয়েছে ৩৯ লাখ ৭০ হাজার টাকায়। আর এই যাত্রায় বিপুল পরিমাণ মাছ ধরা পড়ায় খুশি ট্রলার মালিকসহ সংশ্লিষ্ট জেলেরা।

জেলেরা জানান, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার ওপর ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হয়েছে গত ২৩ জুলাই। এরপর টানা আট দিন বৈরী আবহাওয়ার দুর্যোগ শেষে গত ৩-৪ দিন ধরে শতাধিক ট্রলার নিয়ে সমুদ্রে যাত্রা করেছেন উপকূলীয় জেলেরা। এরই মধ্যে কিছু কিছু ট্রলার মাছ নিয়ে বিভিন্ন ঘাটে ফিরে আসতে শুরু করেছে।

গভীর সমুদ্র থেকে ট্রলারভর্তি ইলিশ নিয়ে মহিপুর মৎস্য আড়তে ফেরেন নোয়াখালীর মিজান মাঝি।

গভীর সমুদ্র থেকে ট্রলারভর্তি ইলিশ নিয়ে মহিপুর মৎস্য আড়তে ফেরেন নোয়াখালীর মিজান মাঝি।

সোমবার দুপুরে গভীর সমুদ্র থেকে ট্রলারভর্তি ইলিশ নিয়ে মহিপুর মৎস্য আড়তে ফেরেন নোয়াখালীর মিজান মাঝি। ট্রলার থেকে মাছ নামানো হয় স্থানীয় ফয়সাল ফিস নামের একটি মাছের আড়তে। পরে কয়েক ঘণ্টা ধরে মাছের ঝুঁড়ি বহন করে ট্রলার থেকে মৎস্য গদিতে তুলেছেন শ্রমিকরা।

৯৬ মণ ইলিশ নিয়ে মহিপুর মৎস্য বন্দরে এসেছে এফবি ভাই ভাই নামের একটি মাছ ধরা ট্রলার। 

৯৬ মণ ইলিশ নিয়ে মহিপুর মৎস্য বন্দরে এসেছে এফবি ভাই ভাই নামের একটি মাছ ধরা ট্রলার। 

আর সেখানেই স্তূপ করে নিলামের মধ্যদিয়ে প্রায় ৩০ মিনিট পর প্রতি মণ ইলিশের দাম হাঁকানো হয় ৪৬ হাজার ৫০০ টাকা দরে। যার মূল্য দাঁড়ায় ৩৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

গভীর সমুদ্র থেকে ট্রলারভর্তি ইলিশ নিয়ে মহিপুর মৎস্য আড়তে ফেরেন নোয়াখালীর মিজান মাঝি।

গভীর সমুদ্র থেকে ট্রলারভর্তি ইলিশ নিয়ে মহিপুর মৎস্য আড়তে ফেরেন নোয়াখালীর মিজান মাঝি।

ট্রলারের মাঝি মিজান জানান, একসঙ্গে এতো মাছ ধরা পড়ায় এবং মোকামে মাছের ভালো দাম পাওয়ায় আনন্দে সময় কাটছে তাদের । এমন খবরে এখন অন্য জেলেরাও গভীর সমুদ্রে গিয়ে মাছ ধরতে উৎসাহিত হবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *