স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ ভোটগ্রহণ শেষে বিভিন্ন অভিযোগ করেছেন ছাত্রদল প্যানেলের সহসভাপতি (ভিপি) পদপ্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান। তিনি ভিসি ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে শিবিরের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ ও নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনকে ঘিরে দুপুরের পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আটটি গেটে জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীদের অবস্থান নিয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে ছাত্রদল।
ছাত্রদলের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে তিনটি অভিযোগ তোলা হয়। এরমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের আটটি প্রবেশ পথে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের ব্যপক উপস্থিতি, প্রশাসনের শীর্ষ ব্যক্তিরা জামায়াত সংশ্লিষ্ট এবং নির্বাচনে কারচুপি।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
এদিকে ডাকসু ও হল সংসদ ভোটগ্রহণ শেষের প্রায় এক ঘণ্টা আগে নির্বাচন বর্জন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লব স্টুডেন্ট ফ্রন্ট সমর্থিত প্রার্থী সহসভাপতি (ভিপি) পদে দাঁড়ানো তাহমিনা আক্তার।
অভিযোগ করে তাহমিনা আক্তার বলেন, ‘আগে থেকে শিবির প্রার্থীর পক্ষে পূরণ করা ব্যালট দিয়ে এবং বিভিন্ন কৌশলে জালিয়াতি করে তাদের প্রার্থীকে জিতিয়ে দেওয়ার জন্য প্রহসনের ভোটগ্রহণ হচ্ছে। এসবের কারণে আমি তাহমিনা আক্তার (ব্যালট নং ১০) বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লব স্টুডেন্ট ফ্রন্টের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখার পক্ষ থেকে ভিপি পদে প্রার্থিতা থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিলাম।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ ভুয়া নির্বাচন বর্জন ও বয়কট করলাম। শিবিরের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট ভিসি ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সবার ওপর অনাস্থা জ্ঞাপন করে তাদের পদত্যাগ দাবি করছি এবং বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।’
তাহমিনা আক্তার বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী। তিনি বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা হলের আবাসিক ছাত্রী। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। একই সঙ্গে নিরাপদ ক্যাম্পাস গড়ার আন্দোলনে তিনি ছিলেন অগ্রণী ভূমিকায়।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব