দেশে হাম ও এর উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৯২ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে।
সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হামে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৯৯০ জন। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৭৬৬ জন।
সারাদেশে ২৪ ঘন্টায় সন্দেহজনক হামে চারজন এবং নিশ্চিত হামে একজনসহ মোট পাঁচজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১২ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়।
দেশের বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং দুর্গত এলাকায় জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ে সাতটি জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। শনিবার (১১ জুলাই) অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে দেশের সব বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক,
দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে নতুন করে আরও ৭৮৬ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ দেখা গেছে।
দেশের গ্রামীণ জনগণের স্বাস্থ্যসেবা আরও শক্তিশালী করতে বিদ্যমান ৪১৮টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার পাশাপাশি নতুন ১৩টি উপজেলায় ১০১ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখা থেকে গত
গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম উপসর্গে নিয়ে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ৬৫৭ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৯৩ জনের।
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব এখনো উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৫২ জনে। এছাড়া নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৯৩ শিশু। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত মোট প্রাণহানি হয়েছে ৭৪৫ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ডেঙ্গুতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একইসঙ্গে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ২৫১ জন। বুধবার (৮ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তররের এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে।
হামের উপসর্গ নিয়ে সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১০৬ জন। সোমবার (৬ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
বর্তমান সরকারের ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে দেশের সব সরকারি হাসপাতাল সার্বক্ষণিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে আগামী ১৭ আগস্টের মধ্যে দেশের সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে বায়োমেট্রিক হাজিরা ব্যবস্থা চালু ও কার্যকর করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। শনিবার (৪ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও
২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৮৩৩ শিশু। শনিবার (৪ জুলাই) বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এদিন সকাল ৮টা থেকে আগের ২৪ ঘণ্টায় এসব তথ্য পাওয়া যায়।
দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ১০৭ জন। শুক্রবার (৩ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে সন্দেহজনক হামের রোগী শনাক্ত হয়েছে ৯৬৮ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩ হাজার ৯৬১ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে শনাক্ত হয়েছে ১৩৯ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৪২৫ জন।
দীর্ঘ ১৪ মাস পর দেশব্যাপী ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে গত ২৮ জুন। এ ক্যাম্পেইনে লক্ষ্যমাত্রাভুক্ত ২ কোটি ২৬ লাখ ৬১ হাজার ৫৬৪ জন শিশুর মধ্যে ২ কোটি ২৩ লাখ ৬০ হাজার ৫০৯ জনকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছে। এ হিসেবে লক্ষ্যমাত্রার ৯৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ অর্জিত হয়েছে।
সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ১১৯ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মারা গেছে ৬৩১টি শিশু। আর নিশ্চিত হামে মৃত্যু ৯৩ শিশুর। সব মিলিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৭২৪।