রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দা সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা রুমানা আক্তারের (ছদ্মনাম) পাঁচ বছরের ছেলে কয়েকদিন আগে হামে আক্রান্ত হয়। প্রথমে জ্বর, পরে শরীরে লালচে দানা ওঠে। শিশুটিকে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা নিশ্চিত করেন এটি হাম।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, টিকা ব্যবস্থাপনায় কোনো ভুল বা অব্যবস্থাপনা হয়ে থাকলে তা তদন্ত করা হবে কি না, সে বিষয়ে সংকট কাটার পর কেন্দ্রীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে দোষী ব্যক্তি নির্ধারণের চেয়ে এই মুহূর্তে শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করাকেই সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ভর্তি হয়েছে আরও ১ হাজার ৬১৫ জন। বুধবার (১৩ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
বাংলাদেশ সরকারের টিকাদান কর্মসূচিতে সহায়তার লক্ষ্য এবং এর ইপিআই কার্যক্রমকে আরো গতিশীল ও কার্যকর করার সহযোগী হিসেবে চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশন (Sinovac Foundation) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে ৩ লাখ ৮০ হাজার ডোজ WHO Pre-Qualified পোলিও ভ্যাকসিন (Sabin Strain) অনুদান হিসেবে দিয়েছে।
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৯ জন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে তিনজন হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন বলে নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বাকি ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে।
দেশে হামে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৪১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের হারও ইতোমধ্যে ৫৬ জেলায় ছড়িয়েছে। হঠাৎ দেশব্যাপী হামে আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনায় কারও দায় আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে সরকার। ইতোমধ্যে কোনো অবহেলার কারণে এতজন শিশুর প্রাণ ঝরল কি না তা খতিয়ে দেখার জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে মন্ত্রণালয়।
দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১১ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
দেশে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে হামের সংক্রমণ ও মৃত্যু। গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে চারজনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছিল। বাকি সাতজন মারা গেছে হামের উপসর্গ নিয়ে।
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আরো ১ হাজার ৭০৮ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। রবিবার (১০ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে দেওয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সর্বশেষ এ তথ্য জানানো হয়।
আটলান্টিক মহাসাগরে চলমান একটি বিলাসবহুল প্রমোদতরিতে হান্টাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব নতুন করে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে। ‘এমভি হন্ডিয়াস’ নামের ওই জাহাজে এখন পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলছে, আক্রান্তদের মধ্যে অন্তত একজনের শরীরে হান্টাভাইরাসের অ্যান্ডিস স্ট্রেইন শনাক্ত হয়েছে, যা মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমণ ঘটাতে সক্ষম।
স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেছেন, দেশে চলমান হামের প্রাদুর্ভাব ও শিশু মৃত্যুর নেপথ্য ঘটনা জানতে তদন্ত চলছে। প্রতিটি মৃত্যুর ঘটনায় রাষ্ট্রের দায় রয়েছে এবং জনগণের জানার স্বার্থে সেসব ঘটনার যথাযথ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।
গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম ও হাম উপসর্গে আরও নয় জনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরো ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। শুক্রবার (৮ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় এ তথ্য। এ ছাড়া নতুন করে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৪৯৪ জন।
সারাদেশে একদিনে (গত ২৪ ঘণ্টায়) হাম ও হামের উপসর্গে বারোজন মারা গেছেন। এ সময়ে নতুন করে হামে আক্রান্ত হয়েছে এবং হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে এমন শিশুর সংখ্যা ১ হাজার ৫২৪ জন।
দেশে হামের এক ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। গত মার্চের মাঝামাঝি সময় থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে ৩২ হাজারের বেশি মানুষ রোগটিতে আক্রান্ত হয়েছে এবং ২৫০ জনেরও বেশি রোগীর মৃত্যু হয়েছে, যাদের অধিকাংশই শিশু। এরমধ্যে স্বনামধন্য বিজ্ঞান সাময়িকী ‘সায়েন্স’-এর এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই মর্মান্তিক তথ্যের কারণ উঠে এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে, ড. ইউনুসের সরকারের টিকা সংগ্রহে অব্যবস্থাপনার কারণেই এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের টিকা সংগ্রহ প্রক্রিয়ায় নীতিগত পরিবর্তনের কারণে দেশব্যাপী টি