গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৭৮৯ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে। আজ (শনিবার, ২৭ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে সন্দেহজনক হামে চার জনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৬ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়।
দেশে হাম ও হামের উপসর্গজনিত রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বাড়ছেই। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৯৪৫ শিশু। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে মোট ৬৯৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে প্রকাশিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক পরিস্থিতি প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মারা যাওয়া সকলেই ঢাকা বিভাগের। এ সময় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৮৯ জন। বুধবার (২৪ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় (রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা) দেশে আরও তিন শিশু মারা গেছে। এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ১২৫ জন। তাদের মধ্যে হাম শনাক্ত হয়েছে ১৬০ জনের।
গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকাতেই ৬ জন। এ সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৮৭ জন। শনিবার (২০ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ মার্চ থেকে হাম এবং হামের উপসর্গ নিয়ে এখন পর্যন্ত সারা দেশে ৬৭৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যু হয়েছে ৯৩ শিশুর। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৫৮৪ জন।
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৭৮ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৯০ হাজার ৯৮২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৯৬ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১০ হাজার ৮৬৯ জন। গত ১৫ মার্চ থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৫ হাজার ১৫৬ জন।
বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে প্রায় প্রতি তিনজনে দুজন কিশোরী মাসিক-সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছে। এর মধ্যে অনেকের তীব্র ব্যথার কারণে দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হচ্ছে এবং অনেকে স্কুলেও অনুপস্থিত থাকছে। আইসিডিডিআর,বি’র অ্যাডসার্চ পরিচালিত এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণায় কিশোর-কিশোরীদের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য ও অধিকার (এসআরএইচআর) বিষয়ে জ্ঞানের ক্ষেত্রেও বড় ধরনের ঘাটতি পাওয়া গেছে, যা তাদের জন্য আরও আগে থেকেই কার্যকর শিক্ষার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরে।
গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে সন্দেহজনক হামে পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়।
দেশে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে হামের সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৯৬৬ জন সন্দেহভাজন রোগী। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য বলছে, চলতি বছরের মার্চের মাঝামাঝি থেকে শুরু হওয়া এই প্রাদুর্ভাবে এখন পর্যন্ত হাজারো মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন এবং শত শত শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা) দেশে এক শিশু মারা গেছে। এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ১৪২ জন।
হঠাৎ করেই নাক দিয়ে রক্ত পড়তে শুরু করলে দৃশ্যটি যেমন অস্বস্তিকর, তেমনি অনেকের জন্য ভীতিকরও। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এমন ঘটনা ঘটলে অভিভাবকরা প্রায়ই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তবে চিকিৎসকদের মতে, অধিকাংশ ক্ষেত্রে নাক দিয়ে রক্ত পড়া বা ‘নোজব্লিড’ কোনো
আদ্-দ্বীন মেডিকেল হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ‘কোটি কোটি টাকা নিয়ে তার পেছনে ঘুরেছে’ বলে সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন, তার জবাব দিয়েছেন আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডা. শেখ মহিউদ্দিন। তিনি বলেছেন, ‘আমি মন্ত্রীর পিছে টাকা নিয়ে ঘুরিনি। এ বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না। মন্ত্রী মহোদয়কে জিজ্ঞাসা করলেই ভালো হয়’।
গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম সন্দেহে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৪ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি, তবে একই সময়ে ১৩৫ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। রোববার (১৪ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।