রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক :
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন ছাত্রদল প্যানেলের সহ-সভাপতি (ভিপি) প্রার্থী মো. শেখ সাদী হাসান। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন হলে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেন তিনি। এসময় শেখ সাদী হাসান বলেন, ‘প্রশাসন ছাত্রশিবিরের প্রার্থীদের সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করছে। ভোট গণনার যে মেশিন আনা হয়েছে, তা একটি নির্দিষ্ট ছাত্র সংগঠনের মদদপুষ্ট একটা কোম্পানি থেকে আনা হয়েছে। আমরা এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। আমরা চাই, ভোট ম্যানুয়ালি গণনা করা হোক।’
এর আগে, ৯টা ৫০ মিনিটে সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ভোটারদের অনুমতি নিয়ে সাদীকে ভোট কেন্দ্রে নিয়ে যান একজন পোলিং অফিসার। এরপর ব্যালট সংগ্রহ করেন তিনি। সকাল ১০টা ১ মিনিটে সাদী ভোট দেন।
ভোট প্রদানের আগে সাদী বলেন, ‘ভোট দেওয়ার জন্য আমাদের কেন্দ্রের এবং হলের প্রার্থীদের নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়েছি। আমরা আশা করছি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ছাত্রদলের প্যানেলকে ভোট দেবেন।’
এ সময় তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি যে, বুধবার রাত থেকেই ছাত্রশিবির এবং ঘুমন্ত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ভোটে কারচুপি করার চেষ্টা করছেন। এখন পর্যন্ত ভোট সুষ্ঠু হলেও আমরা শঙ্কিত। কারণ গতকাল রাত থেকে যে আয়োজন হচ্ছে তা ভোট ও গণতন্ত্রকে বাঁধাগ্রস্ত করতে পারে।’
ভোট দেওয়া শেষে সাদী বলেন, ‘দীর্ঘ ৩৩ বছর পরে জাকসু নির্বাচন হচ্ছে। এই ভোট নিয়ে জেন-জি ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। কিন্তু গতকাল রাত থেকে ছাত্রশিবির ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের গুপ্ত প্রার্থীদের সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করছে প্রশাসন। ভোট গণনার যে মেশিন আনা হয়েছে, তা একটি নির্দিষ্ট ছাত্র সংগঠনের মদদপুষ্ট একটা কোম্পানি থেকে আনা হয়েছে। আমরা এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। আমরা চাই ভোট ম্যানুয়ালি গণনা করা হোক।’
এক প্রশ্নের জবাবে সাদী বলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভোটের পরিবেশ নষ্ট করার পায়তারা করছে। ডাকসু নির্বাচনেও তাদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অভিযোগ এসেছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাদের গ্রহণ করবে না।
অতিরিক্ত ১০ শতাংশ ব্যালট ছাপানোর বিষয়ে সাদী বলেন, প্রশাসন কোনো একটি গোষ্ঠীকে সুবিধা দিতে এটি করা হয়েছে। কোনো ধরনের অসঙ্গতি লক্ষ্য করলে শিক্ষার্থীরা প্রতিরোধ করবে।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা দেশের স্বার্থে ছাত্রদলকে বেছে নেবে বলে আশা করছি।
এস