রিপোর্টার্স২৪ডেস্ক: দুই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ৬ লাখ ৭০ হাজার ডলার মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির গ্রিন রোড করপোরেট শাখায় রপ্তানি সংক্রান্ত রেকর্ডপত্র ও তথ্যাদির জন্য চিঠি পাঠিয়েছে সংস্থাটি।
দুদকের উপপরিচালক ও অনুসন্ধান দলের দলনেতা সাইফুল ইসলাম ১৭ নভেম্বর এ চিঠি পাঠান। দলের অপর সদস্য উপসহকারী পরিচালক মো. রুবেল হোসেন।
দুদকের অভিযোগে বলা হয়েছে—এম আই ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী মো. সোহাগ মিয়া ও টোটাল কোয়ালিটি কোম্পানির স্বত্বাধিকারী হাসান জুনাইদ করিম অগ্রণী ব্যাংকের দুটি শাখায় এলসি খুলে পণ্য রপ্তানি করেন। তবে ৬ লাখ ৭০ হাজার ডলার মূল্যের রপ্তানি আয়ের একাংশও দেশে ফেরত আনেননি। এ কারণে তারা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে অপরাধের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
গ্রিন রোড শাখায় পাঠানো চিঠিতে হাসান জুনাইদের ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে বর্তমান পর্যন্ত রপ্তানি সংক্রান্ত সব নথি—সেলস কনট্রাক্ট, কমার্শিয়াল ইনভয়েস, বিল অব লোডিং, বিল অব এক্সপোর্ট, পেমেন্ট মেসেজ, আমদানিকারকের ক্রেডিট রিপোর্ট এবং নগদ সহায়তা সংক্রান্ত কাগজপত্র—সরবরাহের অনুরোধ করা হয়েছে।
এ ছাড়া শাখাটিতে পরিচালিত সংশ্লিষ্ট চলতি হিসাবের ওপেনিং ফর্ম, কেওয়াইসি, টিপি, এসএস কার্ড, হিসাব বিবরণীসহ সব রেকর্ডপত্র চাইতে বলা হয়েছে। আগামী ২৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে দুদক।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি