রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: ফুসফুস ও হৃদ্যন্ত্রে সংক্রমণজনিত জটিলতায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় শুক্রবার গভীর রাতে হাসপাতালে ভিড় জমায় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা–কর্মীরা।
শুক্রবার রাত সোয়া ১১টার দিকে হাসপাতালে পৌঁছান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান। এ ছাড়া দলের আরও জ্যেষ্ঠ কয়েকজন নেতার গাড়িকেও হাসপাতালের সামনে আসতে দেখা গেছে। এ সময় বিএনপি ও অঙ্গ–সহযোগী সংগঠনের বেশ কয়েকজন নেতা–কর্মী হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন। তাঁরা চেয়ারপারসনের সর্বশেষ শারীরিক অবস্থার আপডেট জানতে অপেক্ষা করছিলেন। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে কয়েকটি গণমাধ্যমের সাংবাদিকও সেখানে অবস্থান করেন।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দেশি–বিদেশি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে চলছে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা। দুপুরে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের জানান, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। বিএনপি চেয়ারপারসনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তাঁর সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চান প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রায় ৮০ বছর বয়সী সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী হৃদ্রোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস ও কিডনির জটিলতাসহ দীর্ঘদিন ধরে নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। গত রোববার শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে তাঁকে দ্রুত এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসকেরা জানান, তাঁর হৃদ্যন্ত্র ও ফুসফুসে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে।
এ বছরের ৭ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য তিনি লন্ডনে যান। ১১৭ দিন সেখানে থাকার পর গত ৬ মে দেশে ফেরেন। দেশে ফেরার পরও একাধিকবার শারীরিক জটিলতা দেখা দিলে তাঁকে হাসপাতালে নিতে হয়।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি