| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

যশোরে চিকিৎসা সেবায় নতুন দিগন্তের আশা

reporter
  • আপডেট টাইম: এপ্রিল ২৬, ২০২৬ ইং | ০৮:০৪:৫১:পূর্বাহ্ন  |  ৬৫৯ বার পঠিত
যশোরে চিকিৎসা সেবায় নতুন দিগন্তের আশা

যশোর প্রতিনিধি: প্রতিষ্ঠার দেড় দশক পেরিয়ে গেলেও নিজস্ব হাসপাতাল না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তিতে ছিল যশোর মেডিকেল কলেজ-এর শিক্ষার্থীরা। অবশেষে সেই প্রতীক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। আগামী ২৭ এপ্রিল ৫০০ শয্যার আধুনিক হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বর্তমানে কলেজে নিজস্ব হাসপাতাল না থাকায় শিক্ষার্থীদের ক্লিনিক্যাল ক্লাস ও ইন্টার্নশিপের জন্য প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরের যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল-এ যেতে হয়। এতে শিক্ষার্থীদের যেমন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে, তেমনি আশপাশের জেলার মানুষও উন্নত চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

২০০৬ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকার যশোরে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের অনুমোদন দেয় এবং শহরের দক্ষিণে হরিণার বিলে জমি অধিগ্রহণ করা হয়। পরে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি শুরু হয় এবং অস্থায়ীভাবে জেনারেল হাসপাতাল ভবনে কার্যক্রম চালু থাকে। ২০১৬ সালে নিজস্ব ক্যাম্পাসে একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হলেও হাসপাতাল নির্মাণ দীর্ঘদিন স্থবির ছিল।

দীর্ঘ আন্দোলনের পর ২০২৩ সালের ২৯ আগস্ট জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ৫০০ শয্যার হাসপাতাল প্রকল্প অনুমোদন পায়। ২০২৫ সালের জুনে ঠিকাদার নিয়োগের মাধ্যমে প্রকল্পে গতি আসে। বর্তমান সরকারের উদ্যোগে নির্মাণকাজে নতুন করে তৎপরতা শুরু হয়েছে।

শিক্ষার্থীরা জানান, তৃতীয় বর্ষ থেকে ক্লিনিক্যাল ক্লাস শুরু হওয়ায় নিয়মিত হাসপাতালে যাতায়াত করতে হয়। বিশেষ করে শেষ বর্ষে সন্ধ্যাকালীন ক্লাস থাকায় এই যাতায়াত আরও কষ্টকর হয়ে ওঠে।

তাদের মতে, কলেজের সঙ্গে হাসপাতাল স্থাপিত হলে যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরা ও নড়াইলসহ আশপাশের প্রায় ৮০ লাখ মানুষ উন্নত চিকিৎসাসেবা পাবেন এবং চিকিৎসা শিক্ষার মানও উন্নত হবে।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম জানান, ৬৭৬ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। এর আওতায় ১০ তলা বিশিষ্ট হাসপাতাল ভবন ছাড়াও শিক্ষার্থী ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের জন্য হোস্টেল, নার্সিং কলেজ ও হোস্টেল, স্টাফ ডরমেটরি, চিকিৎসক-কর্মচারীদের আবাসন, ৫০০ আসনের মিলনায়তন, মসজিদ ও বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। ২০২৮ সালের জুনের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান নার্গিস বেগম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তিনি জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলাম-এর এই প্রকল্পের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে যশোরবাসীর পক্ষ থেকে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরা হবে এবং সেগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের আশা করা হচ্ছে।

রিপোর্টার্স২৪/বাবি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪