| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

আইসিসিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধি কে, আমিনুল না তামিম

reporter
  • আপডেট টাইম: এপ্রিল ২৮, ২০২৬ ইং | ০৫:৪৪:১০:পূর্বাহ্ন  |  ২৪২৬ বার পঠিত
আইসিসিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধি কে, আমিনুল না তামিম

স্পোর্টস ডেস্ক: গুজব, কৌতূহল আর নানামুখী ব্যাখ্যায় আবারও চর্চায় এসেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ও এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) বাংলাদেশ প্রতিনিধি ইস্যু। বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবালকে প্রতিনিধি হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হলেও আইসিসি ও এসিসির ওয়েবসাইটে এখনো বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে সাবেক বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলামের নামই দেখা যাচ্ছে।

বিসিবিতে পটপরিবর্তনের প্রায় তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও দুই সংস্থার বোর্ড অব ডিরেক্টরসের তালিকায় আমিনুল ইসলামকে বাংলাদেশি প্রতিনিধি হিসেবে দেখানো হচ্ছে। অথচ বিসিবির অ্যাডহক কমিটির প্রথম সভায় তামিম ইকবালকে আইসিসি ও এসিসিতে বিসিবির প্রতিনিধি হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়। সাধারণত সংশ্লিষ্ট দেশের বোর্ডপ্রধানই এসব আন্তর্জাতিক সংস্থার বোর্ডে দেশের প্রতিনিধি হিসেবে থাকেন এবং সভাতেও অংশ নেন।

এখন প্রশ্ন উঠেছে, তামিম বিসিবির দায়িত্ব নেওয়ার পরও কেন আইসিসি ও এসিসির ওয়েবসাইটে আমিনুলের নাম থেকে গেছে। বিষয়টি নিয়ে ক্রিকেট অঙ্গনে তৈরি হয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা।

আইসিসি-সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, নতুন প্রতিনিধি মনোনীত হলেই তাৎক্ষণিকভাবে নাম পরিবর্তন হয় না। এজন্য রয়েছে একটি আনুষ্ঠানিক ‘ইনডাকশন প্রসেস’। এই প্রক্রিয়ায় মনোনীত প্রতিনিধি আইসিসির সদর দপ্তরে গিয়ে প্রয়োজনীয় নথি জমা দেন, আচরণবিধি ও শর্তে স্বাক্ষর করেন এবং প্রথম বোর্ড সভার জন্য ব্রিফিং নেন। প্রক্রিয়াটি শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাগজে-কলমে আগের সভাপতিই বোর্ড সদস্য হিসেবে থেকে যান।

তবে তামিমের ক্ষেত্রে আরেকটি জটিলতা রয়েছে। তিনি বিসিবির নির্বাচিত সভাপতি নন; তিনি সরকার মনোনীত অ্যাডহক কমিটির প্রধান। আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী সদস্যদেশের বোর্ডপ্রধানকে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত হতে হয় এবং বোর্ড পরিচালনায় সরকারের হস্তক্ষেপ না থাকার শর্তও মানতে হয়। ফলে তামিমের ইনডাকশন প্রক্রিয়ায় নীতিগত বাধা আছে কি না, সেটিও এখন আলোচনার বিষয়।

এই বিষয়ে আমিনুল ইসলাম নিজেও নিশ্চিত নন কেন এখনো তাঁকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি হিসেবে দেখানো হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া থেকে মুঠোফোনে তিনি বলেন, বিষয়টি প্রক্রাগত কিংবা আইনগত কারণে হতে পারে। নতুন সভাপতির ইনডাকশন প্রসেস শেষ না হওয়ায় এমনটি থাকতে পারে, আবার আইনি বাধাও থাকতে পারে। আসল কারণ আইসিসিই ভালো বলতে পারবে।

বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দীন চৌধুরীও জানান, ইনডাকশন প্রসেসে কিছুটা সময় লাগে। তবে এটি বড় কোনো সমস্যা নয়। তাঁর আশা, আইসিসির পরবর্তী বোর্ড সভার আগেই বিষয়টি সম্পন্ন হবে এবং তারপর ওয়েবসাইটেও হালনাগাদ আসবে।

তবে আইসিসি এ বিষয়ে এখনো প্রকাশ্যে কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। সূত্রের দাবি, বিসিবির বর্তমান অ্যাডহক কমিটিকে ‘অবৈধ’ এবং আগের পরিচালনা পর্ষদকে ‘বৈধ’ দাবি করে আমিনুলপক্ষ আইসিসির সঙ্গে আলোচনায় বসার চেষ্টা করলেও তা সফল হয়নি। নির্ধারিত একটি জুম বৈঠকও পরে বাতিল করা হয়।

এসিসির ক্ষেত্রে বিষয়টি তুলনামূলক সহজ। সেখানে সংশ্লিষ্ট বোর্ড যাকে মনোনয়ন দেবে, তিনিই তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিনিধি হিসেবে বোর্ড সভায় যোগ দিতে পারেন। তবে বিতর্কিত বিষয়ে এসিসিও সাধারণত আইসিসির নীতি অনুসরণ করে।

সব মিলিয়ে আইসিসি ও এসিসির আসন্ন সভার আগে বাংলাদেশের প্রতিনিধি ইস্যুটি এখনো ধোঁয়াশায় রয়ে গেছে। আইসিসির পরবর্তী সভায় এ বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রিপোর্টার্স২৪/বাবি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪