স্টাফ রিপোর্টার : বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গত ১০ মাসে বাংলাদেশে যে ঘটনাগুলো ঘটেছে, তাতে আমরা একটু সন্দিহান হয়ে পড়েছিলাম যে শেষ পর্যন্ত কী দাঁড়াবে। আমরা অত্যন্ত অনুপ্রাণিত হয়েছি, আশ্বস্ত হয়েছি। যখন আমরা দেখলাম বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস তিনি একটা সভা করলেন। সভায় তারা কতগুলো বিষয়ে একমত হলেন। এটা নি:সন্দেহে আমাদের সকলের কাছে একটি আশা সামনে এনে দিয়েছে। আশা রাখছি সামনের ফেব্রুয়ারি মাসে একটা নির্বাচন হবে।
তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ভালো কাজ করছেন। নি:সন্দেহে তারাই ইতোমধ্যে অনেক কাজ করেছেন এবং ভালো কাজ করছেন, আমাদের পথ দেখাচ্ছেন। আমরা আশা করবো, যে সকল রাজনৈতিক দল ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে ছিলাম সবাই মিলে তাদের সহযোগিতা করবো।
শনিবার (২১ জুন) বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘গণতন্ত্র মঞ্চ শীর্ষ সংগঠন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ২১-তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে পুনর্মিলনী’ এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, রাষ্ট্রকাঠামোতে জনগণের স্বপ্ন পূরণ করা সম্ভব নয় তাই আমরা ৩১ দফা দিয়েছি সকলের সাথে আলোচনা ভিত্তিতে। যাতে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসা যায়।
মির্জা ফখরুল বলেন, এখন সংস্কার কাজ এগিয়ে চলেছে, কতগুলো বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি, কতগুলো বিষয়ে একমত হচ্ছে না। যতগুলো বিষয়ে আমরা একমত হবো সেগুলো আমরা বাস্তবায়ন করব। আর যেগুলোতে একমত হওয়া যাচ্ছে না, সেগুলো নিয়ে নির্বাচনের পরে আলোচনা করবো। সেগুলোতে আমরা একমত হবো। শুধু কথা বা আলোচনার মাধ্যমে সংস্কারের এই বিশাল কাজ সম্ভব হয় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, গণফোরণে সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, ডেএসডির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ উদ্দিন স্বপন, ভাসানী অনুসারী পরিষদের সভাপতি রফিকুল ইসলাম বাবলুসহ আরও অনেকে।
রিপোর্টার্স২৪/আরএইচ