| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

কাঁঠাল দিয়ে কাবাব পাকোড়া তৈরি সত্যিই প্রশংসনীয়: কৃষিমন্ত্রী

reporter
  • আপডেট টাইম: জুন ১৮, ২০২৬ ইং | ২০:৪৮:৩৫:অপরাহ্ন  |  ৮১৮ বার পঠিত
কাঁঠাল দিয়ে কাবাব পাকোড়া তৈরি সত্যিই প্রশংসনীয়: কৃষিমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার: কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, কাঁঠাল দিয়ে সিঙ্গারা, সমুচা, কাবাবসহ নানা ধরনের খাদ্যপণ্য তৈরি করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয় উদ্যোগ।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) প্রাঙ্গণে জাতীয় ফল মেলা–২০২৬ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। পরে বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, কাঁঠাল দিয়ে কাবাব, চপ, পাকোড়াসহ নানা ধরনের প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য তৈরি হচ্ছে, যা শুধু উদ্ভাবনী নয় বরং বাণিজ্যিক সম্ভাবনাও তৈরি করছে। এসব উদ্যোগকে তিনি দেশের কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পের জন্য ‘আকর্ষণীয় ও সম্ভাবনাময়’ বলে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে কাঁঠালভিত্তিক খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও বিপণন নিয়ে আলোচনা করছে। পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়েও এসব পণ্যের উন্নয়ন ও বাণিজ্যিকীকরণে কাজ চলছে।

মন্ত্রী বলেন, “সুখের বিষয় হলো, আমরা আজ যে উন্নত জীবন উপভোগ করছি, তা আমাদের পূর্বপুরুষদের অবদানের ফল। এখন আমাদের দায়িত্ব ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে দেওয়া।”

ফল উৎপাদনে অগ্রগতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশে এক ধরনের ‘ফল বিপ্লব’ ঘটেছে। আগে যেসব ফল আমদানি করতে হতো, তার অনেকগুলো এখন দেশে উৎপাদিত হচ্ছে, ফলে আমদানিনির্ভরতা কমছে। ভবিষ্যতে অনেক ফল আমদানির প্রয়োজনও থাকবে না বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ড্রাগন ফলের উদাহরণ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, কয়েক বছর আগেও এই ফল আমদানি করতে হতো, কিন্তু এখন দেশে উৎপাদন এতটাই বেড়েছে যে রফতানির সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আম, আনারস ও কাঁঠালসহ বিভিন্ন ফল প্রক্রিয়াজাত করে রফতানি শুরু হয়েছে এবং ভবিষ্যতে কাঁঠাল রফতানি আরও বাড়বে। এ বিষয়ে চীনের সঙ্গে যোগাযোগও চলছে বলে জানান তিনি।

ফলের বহুমুখী ব্যবহার ও মূল্য সংযোজন বাড়াতে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ভূমিকার প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা ফল প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে যুক্ত হচ্ছেন। ফলভিত্তিক প্রক্রিয়াজাত শিল্প দেশের অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে।

মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, ‘‘আগামী দিনে ফল বাংলাদেশের অন্যতম শক্তিশালী রফতানি পণ্যে পরিণত হবে বলে আমরা আশা করছি।’’

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কৃষি খাতে বরাদ্দ কমেছে—এমন সমালোচনার জবাবে তিনি বলেন, কৃষির বরাদ্দ কমেনি বরং আগের বছরের তুলনায় ১০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এর বাইরে প্রণোদনা ও উন্নয়ন বাজেটও রয়েছে।

জাতীয় ফল মেলা-২০২৬-এ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উৎপাদিত মৌসুমি ও অপ্রচলিত ফলের পাশাপাশি ফলভিত্তিক প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য প্রদর্শন করা হচ্ছে। মেলায় কৃষক, উদ্যোক্তা এবং সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ দেখা গেছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কৃষি বিপণন অধিদফতর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪